Author: তরঙ্গ টিভি

  • কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক  ডায়রিয়া  আক্রান্ত

    কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া আক্রান্ত

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় পানি পান করে তিন শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ১ দিনের ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

    সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭:৩০টায় মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তারা জানায়, অসুস্থদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বেশিরভাগ শ্রমিকই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। সফিপুর তানহা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব শ্রমিক এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছেন তারা সবাই খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রায় সবারই ডায়রিয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদেরকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

    কারখানার কিছু শ্রমিক মামুন, রফিক ও শাবানা আক্তার জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭:৩০টায় থেকে অনেক শ্রমিকের মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হতে থাকে।তারপরও কারখানা ছুটি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকালে আমরা কারখানায় প্রবেশ করার পর আরও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    তানহা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক খাদিজা আক্তার জানান, কারখানার পানি পানের পরই পেট ব্যথা,মাথা ব্যাথা শুরু হয়। তারপর ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি আমরা সবাই।

    মোয়েজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের শ্রমিকরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অসুস্থ সকল শ্রমিককে কারখানা কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • গুলি করে ভাইরাল হওয়া সেই তুষার মণ্ডল গ্রেফতার, পিস্তল উদ্ধার

    গুলি করে ভাইরাল হওয়া সেই তুষার মণ্ডল গ্রেফতার, পিস্তল উদ্ধার

    পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের সময় পিস্তল দিয়ে গুলি করে ভাইরাল হওয়া সেই যুবক তুষার মণ্ডলকে (২১) গ্রেফতার করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ধানবান্ধি (জেসি রোড) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    গ্রেফতার তুষার মণ্ডল ঈশ্বরদী পৌর শহরের ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে এবং পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও এমপি প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের সক্রিয় কর্মী ও তার ভাতিজা মামুন মণ্ডলের অন্যতম সহচর।

    পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ রাশিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়িতে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত কর্মী তুষার মণ্ডলের পিস্তল উঁচিয়ে গুলিবর্ষণের ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরবর্তীতে তুষারের পরিচয় নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি ব্যাপক বাগবিতণ্ডা।

    প্রথমে জামায়াত তুষার মণ্ডলকে বিএনপির সন্ত্রাসী বলে দাবি করে এবং বিএনপি দাবি করে তুষার জামায়াতের কর্মী। এমনকি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, তুষার জামায়াতের জেলা আমির ও এমপি প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের গাড়ি থেকে নেমে বিএনপি কর্মী সমর্থকদের ওপর গুলি চালিয়ে আবার ওই গাড়িতে করেই স্থান ত্যাগ করে।

    এ অবস্থায় যুগান্তরের অনুসন্ধানে তুষারের আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তুষার জামায়াত আমির তালেব মণ্ডলের কর্মী ও আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সহযোগী। এরই মধ্যে আবু তালেব মণ্ডলের এবং মামুন মণ্ডলের সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারণায় তুষারের অংশ নেওয়া একাধিক ভিডিও এবং ছবি ফের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তুষার মণ্ডল ‘ভাইরাল তুষার’ হিসেবে পরিচিতি পায়। এসব ছবিসহ রিপোর্ট ছাপা হয় যুগান্তরে।

    এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার একদিন পর জামায়াত ও বিএনপি পৃথকভাবে ঈশ্বরদী থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন। বিএনপির দায়েরকৃত মামলায় তুষার মণ্ডলকে ৬ নম্বর আসামি করা হয়।

    এদিকে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাঠে নামে। এর অংশ হিসেবে তুষারকে ধরতে চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠ চষে বেড়ায়। পরে প্রযুক্তি ব্যবহার করে যৌথ অভিযানে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও পাবনা জেলা গোয়েন্দা শনিবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ধানবান্ধি এলাকা থেকে তুষার মণ্ডলকে গ্রেফতার করে।

    পরে তার দেওয়া তথ্যমতে, ঈশ্বরদী থানাধীন ভেলুপাড়ার তুষারের নিজ বসতবাড়িতে লুকিয়ে রাখা একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তুষার মণ্ডলের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় পৃথকভাবে অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অন্যান্য অপরাধী যেই হোক সে ছাড় পাবে না। পুলিশ শতভাগ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করবে।

  • শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলনে ক্ষোভ, বিপাকে কোমলমতি শিশুরা

    শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলনে ক্ষোভ, বিপাকে কোমলমতি শিশুরা

    চার দফা দাবিতে সারা দেশের মতো যশোরেও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে। ১ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতি শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। দুই দিনই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে এসে ফিরে গেছে।

    শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। সময়মতো পরীক্ষা না হওয়ায় বিপাকে পড়েছে কোমলমতি শিশুরা।

    সোমবার যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক শিফটে বিকল্প ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া হলেও দ্বিতীয় শিফটে পরীক্ষা হয়নি। আর যশোর জিলা স্কুলে দ্বিতীয় দিনের মতো পরীক্ষা গ্রহণ হয়নি।

    শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি নিতে বাধ্য হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া হবে।

    যশোর জিলা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সিয়াম জানায়, পরীক্ষা দিতে স্কুলে এসেছে। এখন শিক্ষকরা বলছেন পরীক্ষা হবে না। পরীক্ষা না দিয়েই তাকে বাড়ি ফিরত হলো। আগে থেকে জানতে পারলে ভালো হতো।

    আরেক শিক্ষার্থী জানায়, স্কুলের আসার পর জানলাম পরীক্ষা হবে না। স্যারেরা আন্দোলন করছেন এজন্য পরীক্ষা হচ্ছে না। পরীক্ষা কবে হবে এসএমএস করে জানিয়ে দিবেন বলেছে।

    সালাউদ্দিন শাহীন নামে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন মেনে নেওয়া যায় না। বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ করে শিক্ষকরা আন্দোলন করছে, এটা খুবই খারাপ কাজ। তাদের দাবির বিষয়ে আলোচনা কিংবা পরীক্ষা শেষে করতে পারত। শিশুরা প্রস্তুতি নিয়ে স্কুলে আসছে আর ফিরে যাচ্ছে। এটা তাদের জন্য ক্ষতিকরও বটে! বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিক সরকার। শিক্ষকরাও তাদের আন্দোলন শিথিল করুক।

    যশোর জিলা স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গাজী আনিছুর রহমান  বলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এন্ট্রিপদ ৯ম গ্রেডভিত্তিক (ক্যাডার) পদসোপানসহ চার দফা দাবিতে দেশের ৭ শতাধিক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচি আমরাও পালন করছি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করছি। দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের জন্য বাধ্য হয়েই তারা কর্মসূচি পালন করছি। সরকার দাবি মেনে নিলে শিক্ষার্থীদের সাময়িক ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার  চেষ্টা করো। শুক্র ও শনিবার হলেও আমরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করব। অভিভাবকদের বলব, আপনারা উদ্বিগ্ন হবেন না।

    যশোর জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন বলেন, চার দফা দাবিতে শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প জনবল না থাকায় পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

    যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম জানান, প্রভাতী শিফটের সহকারী প্রধান শিক্ষক সোহেল উদ্দীসসহ ৭ জন দায়িত্ব নিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়েছেন। এডিসি শিক্ষাকে হাজারবার কল করেছি তিনি কল ধরছেন না। আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে কোনো নোটিশ করা যাবে না পরীক্ষা বন্ধের। এদিকে শিক্ষকরা আন্দোলনরত। আমার একার পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত  নেওয়া সম্ভব না।

  • রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ফেসবুক আইডি হ্যাকড

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ফেসবুক আইডি হ্যাকড

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি হ্যাকড হয়েছে। ফলে কোনো ধরনের তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন তার এপিএস সাগর হোসেন।

    মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজের আইডি থেকে এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।

    পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে। সকলের অবগতির জন্য বিষয়টি জানানো হল।’

    এর আগে ওই আইডি থেকে ‘#Resignation’ লিখে পোস্ট দেওয়া হয়। তার ফেসবুকটি অনলি ফ্রেন্ড থাকায় শুধু ফ্রেন্ডরাই বিষয়টি দেখেছেন

  • ভূমিকম্প-প্রতিরোধী পরিবেশ  গড়ার উপায়

    ভূমিকম্প-প্রতিরোধী পরিবেশ গড়ার উপায়

    ভূমিকম্প হল পৃথিবীর অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটগুলির আকস্মিক স্থানচ্যুতির ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অঞ্চল এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তবে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি শুধু ভূমির কম্পনেই সীমাবদ্ধ নয়; এর পরিণামে সুনামি, ভূমিধ্বস, লিকুইফ্যাকশন, আগুন, বাঁধ ভেঙে বন্যা এবং মহামারীও দেখা দিতে পারে। তাই শুধু ভূমিকম্পের পূর্বাভাস নয়, বরং সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা ও প্রস্তুতি গড়ে তোলা অপরিহার্য।

    ভূমিকম্পের কারণ ও ঝুঁকি:
    টেকটনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষ, স্লাইডিং বা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ফলে শক্তি নির্গত হয়, যা ভূমিকম্পের আকারে প্রকাশ পায়। ঢাকা অবস্থিত ইন্দো‑বার্মা সাবডাকশন জোনের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে ৭ মাত্রারও বেশি ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। অধিকাংশ ভবনই পুরনো নির্মাণবিধি অনুযায়ী তৈরি আবার বহু ভবন আছে যা কিনা নিয়মনিতি ছাড়াই বানানো হয়েছে। সেগুলোর কোনটিই ভূমিকম্প-প্রতিরোধী নয়। ফলে একটি বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি ব্যাপক হবে।

    ভূমিকম্পের পরিণতি:
    সুনামি– সমুদ্রতলের ভূমিকম্পের কারণে উপকূলীয় এলাকায় বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।ফলে অনেক এলাকা পানিতে স্থায়ী বা অস্থায়ী ভাবে বিলিন হতে পারে।
    ভূমিধ্বস ও ভূমিস্খলন – পাহাড়ি অঞ্চলে মাটি ও পাথর নিচে নেমে আসে।
    লিকুইফ্যাকশন – ভেজা মাটি কম্পনের সময় তরল হয়ে যায়, যার ফলে ভবন ও রাস্তা ডুবে যায়।
    আগুন ও গ্যাস লিগেজ- ভাঙা পাইপ থেকে গ্যাস লিগেজ হয়ে আগুন লাগতে পারে।
    বাঁধ ভেঙে বন্যা– জলাধারের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাৎক্ষণিক বন্যা হয়।
    সংক্রামক রোগ– ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও দূষিত পানি থেকে মহামারী ছড়াতে পারে।

    সচেতনতা ও প্রস্তুতির উপায়:
    জনসচেতনতা কর্মশালা–স্কুল, কলেজ ও স্থানীয় সংগঠনে নিয়মিত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া।
    বাড়ির নিরাপত্তা পরীক্ষা– দেয়াল, ছাদ ও দরজার স্থায়িত্ব পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় শক্তিশালীকরণ করা।
    এমার্জেন্সি কিট– প্রথম সাহায্য সামগ্রী, পানি, খাদ্য, টর্চ, ব্যাটারি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা।
    পলায়ন পরিকল্পনা- বাড়ির প্রতিটি সদস্যের জন্য নিরাপদ স্থান ও পলায়ন পথ নির্ধারণ করা।
    সম্প্রদায়িক কেন্দ্র– প্রতিবেশীদের সাথে মিলে একটি সমন্বিত উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
    বিল্ডিং কোড মেনে চলা–নতুন নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধী মানদণ্ড অনুসরণ করা এবং পুরনো ভবনগুলিকে জরুরি ভাবে পুনঃসংস্কার করা।

    ৪. সরকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা:
    ভূমিকম্প পূর্বাভাস কেন্দ্র– বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাথে সহযোগিতায় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন।
    আন্তর্জাতিক তহবিল–বিশ্ব ব্যাংক, ইউএনডিপি ও অন্যান্য দাতা সংস্থার সহায়তায় ভূমিকম্প প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ।
    বীমা ব্যবস্থা–ভূমিকম্প বীমা পলিসি প্রচার ও বাধ্যতামূলক করা, যাতে ক্ষয়ক্ষতি পূরণে সহায়তা পাওয়া যায়।

    উপসংহার:
    ভূমিকম্প একটি অনিয়ন্ত্রিত প্রাকৃতিক ঘটনা, কিন্তু তার ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে আমাদের প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে। সচেতনতা, সঠিক নির্মাণবিধি, সম্প্রদায়িক সহযোগিতা এবং সরকারি নীতির সমন্বয়ে আমরা এই বিপর্যয়ের প্রভাবকে অনেকাংশে কমাতে পারি। বিশ্বব্যাপী প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থানে এই বিষয়ে সচেতন হন, তাহলে ভূমিকম্পের মতো বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আমরা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব।

  • বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার পর আবারও পিস্তলসহ গ্রেফতার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

    বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার পর আবারও পিস্তলসহ গ্রেফতার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

    দলীয় বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার দুই সপ্তাহ পর মাগুরায় যৌথবাহিনীর হাতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার হয়েছেন জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান শামিম।

    মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) যৌথবাহিনীরা সদস্যরা মাগুরা শহরের ভায়না গ্রামের চোপদারপাড়ার বাড়ি থেকে শামিমকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১১ রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি চায়না পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

    আশরাফুজ্জামান শামিম মাগুরা শহরের ভায়না গ্রামের মৃত বাকী চোপদারের ছেলে।

    দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার ঘটনায় চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি শামিমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনার পর দলীয় সদস্য পদ ফিরে পাওয়ার আবেদন করা হলে ১৭ নভেম্বর তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া হয়।

    সদর থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী বলেন, যৌথবাহিনীর সদস্যরা অবৈধ পিস্তল, গুলি এবং একটি চাকুসহ তাকে গ্রেফতার করে সদর থানায় সোপর্দ করলে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের পর বিকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    মাগুরা জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

  • ইতালি পাঠানোর কথা বলে ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এক প্রতারক।

    ইতালি পাঠানোর কথা বলে ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এক প্রতারক।

    ইতালি পাঠানোর কথা বলে মাদারগঞ্জ, জামালপুর মেহেদী হাসান সাগর (২২), পিতা-দুলাল মিয়ার রিয়ান মিয়া, পিতা-আঃ আজিজ ও হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জের কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নরসিংদীর রায়পুরার হুসাম মিয়া (২১), পিতা-রুপচান মিয়া বীর কান্দি, রায়পুরা,নরসিংদী।মোঃ রবিউল আলম (৪৫), হারিছ মিয়ার ছেলে সোহরাব (৩৫) গংরা বলে মামলার সুতো জানাযায়।

    মামলা সুতো জানাযায় মাদারগঞ্জ, জামালপুর মেহেদী হাসান সাগর (২২), পিতা-দুলাল মিয়ার, রিয়ান মিয়া, পিতা-আঃ আজিজ হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জকে পাঠানোর প্রলোভন দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা হতিয়ে নেয় নরসিংদি রায়পুরার হাসনাবাদ মোঃ রবিউল আলম (৪৫), পিতা ওয়ানুম মুদি নলঘাটা, রায়পুরা হারিছ মিয়া (৬০), সোহরাব মিয়া (৩৫), হাসনাবাদ রায়পুরা, নরসিংদী।
    রিপন রাজ, পিতামৃত-আবুল হোসেন,দ্বীপেশ্বর, শাহিনুর আক্তার মুক্তা, পিতা আঃ আজিজ সালমা আক্তার, স্বামী-আঃ আজিজ
    আরমান হোসেন, শিয়া-ডাঃ আজিজ,উত্তর হারেঞ্জা মোঃ ইকবাল, পিতা-মোঃ জসিম উদ্দিন, কুড়িমারা
    হোসেনপুর, জেলা-কিশোরগঞ্জ।     
    প্রতারক চক্র ইতালী ভাল কোম্পানীতে বেশী বেতনে ‘৫ তারা হোটেলে চাকুরী নিয়া দিবে বলে আমাকে প্রলোভন দেয় যে, টাকার কোন চিন্তা করতে হবে না। প্রয়োজনে অঙ্গীকার নামা দিবে। অতঃপর প্রতারকের প্রলোভন আমি বুঝতে না পারিয়া ইতালী যাইতে রাজী হই আমার নিকট সর্ব সাকুল্য ২০,০০,০০০/-(বিশ লক্ষ) টাকা হাতিয়ে নেয়। আমার বাড়ীতে আসিয়া টাকা চাহিলে আমার থাকার ঘরে বসে কতিপয় সাক্ষির মোকাবেলায় আমি নগদ ১৫,০০,০০০/-(পনের লক্ষ) টাকা দিলে টাকা গ্রহণ করে চলে যায় ও বলে যায় যে, বাকী টাকা দিলে বিবাদী আমাকে ইতালীতে পাঠাইয়া বেশী বেতনে ৫ তারা হোটেলে চাকুরীর ব্যবস্থা করিয়া দিবে। অতঃপর বিবাদী আমার পাসপোর্ট নিয়া যায় এবং বাকী টাকা চাহিলে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে. ৫,০০,০০০/-(পাঁচ লক্ষ) টাকা দিলে বিবাদী তাহা গ্রহণ করিয়া আমাকে ইতালী যাওয়ার ব্যবস্থা না করিয়া টাল বাহানা করিয়া কাল ক্ষেপন করিতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি অতিষ্ঠ হইয়া বিবাদীর বিরুদ্ধে ২৬/০৭/২০২৪ইং তারিখে শালিস করিলে শালিসে বিবাদী ঘটনার কথা এবং টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে ও অঙ্গীকার নামা দেয়।পরবর্তীতে বিভিন্ন তালবাহানা করলে আমি আদালতে একটি পিটিশন মামলা করি। এই প্রতারক৷ আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিঃস্ব করছে অনেক পরিবার

  • দুমকি উপজেলায়,  জনবল সংকটে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যক্রম স্থবির।।

    দুমকি উপজেলায়, জনবল সংকটে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যক্রম স্থবির।।

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে তীব্র জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা, টিকাদান, রোগ-নিয়ন্ত্রণ ও মাঠ পর্যায়ের সেবা কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার ওপর পুরো দপ্তরের দায়িত্ব চাপায় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন খামারই ও পশু পালনকারীরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, গরু-ছাগলের রোগ দেখা দিলেও দ্রুত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না, এতে চাষাবাদ ও ক্ষুদ্র খামারের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

    দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে যেখানে একজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, দুইজন ভেটেরিনারি সার্জন, একজন ফার্মাসিস্ট, দুইজন মাঠ কর্মী ও সহায়ক জনবল থাকার কথা-সেখানে বর্তমানে দায়িত্ব পালনে আছেন মাত্র একজন ভেটেরিনারি সার্জন ও একজন সহকারী।জরুরি রোগ-নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি, পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর পরিদর্শনসহ অধিকাংশ সেবা নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না।
    বিশেষ করে শীত কালকেন্দ্রিক বিভিন্ন সংক্রামক রোগের সময় মাঠ পর্যায়ে টিম না থাকায় খামারিদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

    আলমাছ হাওলাদার নামের গরু খামারই জানান, গরুতে হঠাৎ জ্বর এলে ডাক্তার ডাকতে গেলে কাউকে পাওয়া যায় না। কখনো ফোন ধরেন, কখনো ধরেন না। এক উপজেলায় দুই-তিনজন ডাক্তার না থাকলে আমরা কিভাবে চলব। একই অভিযোগ তোলেন পোল্ট্রি খামারই ইলিয়াস হোসেন। তার ভাষায়, মুরগিতে রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুব জরুরি। কিন্তু চিকিৎসা না পেয়ে অনেক সময় ক্ষতি হয়ে যায়।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, জনবল সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি কাজ সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, দপ্তরে জনবল না থাকায় মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সীমিত জনবল নিয়ে আমরা সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

    এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, জেলার সব কয়টি উপজেলায় এমন সংকট রয়েছে। শূন্যপদ পূরণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সার্কুলার হয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেবা কাঠামো স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

  • দিনাজপুরে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউসকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    দিনাজপুরে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউসকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    দিনাজপুর \ সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউজকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় ১-১২-২০২৫ ইং তারিখে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার মোঃ মোস্তফা। তিনি তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, শহরের পাটুয়াপাড়া এলাকার মৃত আমিনুল ইসলামের পুত্র মোঃ রিপন (মোবাঃ ০১৭২৯-০০১০১৯), শান্ত, রিপন, হৃদয়, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ সোহাগ, শাহরিয়ার, সুচনা, লাবনী, শাহিনুর, মিনু, রুমা সেন, মোছাঃ নাছরিন, সৌরভ, মৌসুমী, মোসলেম, সিফাত, মনিরা, শিউলি, হুসনে আরা, বিউটি, কিরন, আরনিকা, জাকিয়াসহ অজ্ঞাত ১৫০/২০০ জন এবং অপরদিকে, দক্ষিন মুন্সিপাড়া (ষ্টেশনরোড) (ভাই ভাই মঞ্জিল) বাড়ীর মালিক সারোয়ার কাজীর পুত্র জাবেদ কাজী গনের বিরুদ্ধে উক্ত অভিযোগে করেছেন।

    অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, বাড়ীর মালিকের ছেলে তার বিল্ডিং এর একটি ফ্ল্যাট সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউজের প্রোপাইটার মোঃ মোস্তফা’র কাছে ভাড়া দেন। কিন্তু বাড়ীর মালিকের ছেলে অপরাপর বিবাদীগনের কু-পরামর্শে মিথ্যা ভাবে হয়রানী ও ফাসানোর জন্য তার বিল্ডিং এর ২টি ফ্লাট ভাড়া দিয়াছে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন এবং ৬০ হাজার টাকার ফার্নিচার দিয়েছেন যা সম্পন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ভাই ভাই মঞ্জিলে একটি ফ্লাট ভাড়া নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন মোঃ মোস্তফা। গত এক বছর ধরে সাকসেস ভিশন লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে ব্যবসার নামে টাকা গ্রহণ করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখছিল।
    কিন্তু হঠাৎ করে গত ১৬/১১/২০২৫ ইং তারিখে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ রাকাত আলী প্রিন্স চাতুর্যের মাধ্যমে গ্রাহকদের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে অফিসে তালা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বহু গ্রাহক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। কিন্তু দুঃখ জনকভাবে দেখা যায় যে, গত ১৬/১১/২০২৫ ইং তারিখ রাতেই দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি কু-চক্রী মহলের মদদপুষ্ট হয়ে সাকসেস ভিশন লিমিটেড এমডি রাকাত আলী প্রিন্সকে বাচানোর চেষ্টায় তার প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেন। প্রকৃত প্রতারণামূলক প্রতিষ্ঠান সাকসেস ভিশন লিমিটেড এর বিরুদ্ধে অভিযোগ না করে, কয়েকজন ভুক্তভোগী একটি কু-চক্র মহলের খপ্পরে পড়ে তথ্য ও প্রমান ছাড়াই সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ এর প্রোপ্রাইটর “মোঃ মোস্তফা”র বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। অথচ এ ঘটনার সাথে সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট নন মোঃ মোস্তফা। তিনি তার ব্যবসা স্বতন্ত্র, এবং সাকসেস ভিশন লিমিটেডের সাথে কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পর্ক নেই।

    উল্লেখ্য, ১৯ নভেম্বর দিনাজপুর প্রেসক্লাবে কিছু ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ সংবাদ সম্মেলন করলেও সেখানে তারা বারবার সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউস-এর নাম উল্লেখ করেন, কিন্তু সাকসেস ভিশন লিমিটেডের নাম গোপন রাখেন। সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের পরেও তারা ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের বিরুদ্ধে লেনদেনের কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এতে স্পষ্ট হয় ঘটনাটিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার একটি সুগভীর চক্রান্ত চলছে।

    সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ এর প্রোপ্রাইটর মোঃ মোস্তফার সাথে কথা হলে তিনি জানান, সাকসেস ভিশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ রাকাত আলী ওরফে প্রিন্স এর বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত পূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং সেই সাথে আমার বিরুদ্ধে যে বিভ্রান্তিকর অভিযোগ করা হচ্ছে, তা তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে আমাকে হয়রানি মুক্ত করা এবং ভুক্তভোগীদের টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও জানান তিনি

  • ‘যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’

    ‘যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’

    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তার জবরদস্তিমূলক আচরণ ও বৈশ্বিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।’

    সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাঘাই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরে জানান, গত দুই দিনে তুরস্ক, সৌদি আরব ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দল তেহরানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়।

    তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। তবে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় হুমকি রয়ে গেছে ইসরাইলি দখলদার সরকার।’

    লেবানন, সিরিয়া ও অন্যান্য দেশে চলমান অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও লঙ্ঘনের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। লেবাননে যুদ্ধবিরতি ‘শত শত হাজার’ বার লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং বহু বেসামরিক নাগরিককে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে।’ গাজায়ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের সংখ্যা ৬০০-তে পৌঁছেছে বলে জানান তিনি।

     

    যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিমূলক আচরণের প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ড দেশটিকে বৈশ্বিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় হুমকিতে পরিণত করেছে। এ সময়  তিনি ভেনেজুয়েলা, কিউবা, নিকারাগুয়া, ব্রাজিল ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগ ও হস্তক্ষেপের উদাহরণ তুলে ধরেন।

    এছাড়া অন্য কোনো দেশের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেওয়াকে তিনি ‘নজিরবিহীন ও আন্তর্জাতিক সব নীতিমালা’, বিশেষ করে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধির—বিরোধী বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া আফ্রিকার দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কথাও তুলে ধরেন; যেমন—দক্ষিণ আফ্রিকাকে জি-২০ সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার দাবি।

    তিনি আরও বলেন, ইসরাইলের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত দখলদার সরকারের অপরাধে অংশীদার হয়ে পড়েছে।

    তার মতে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের উচিত ছিল এসব কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া।