Author: তরঙ্গ টিভি

  • শরীয়তপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল

    শরীয়তপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল

    শরীয়তপুরে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নড়িয়া উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এ বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া মোনাজাত করেন উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ইলিয়াস আহমেদ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা ও আপোষহীন নেত্রী। তিনি দেশের মানুষকে আগলে রেখেছেন। এখন তিনি অসুস্থ। আমরা বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।

    দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান কিরণ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম দাদন মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

  • শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

    শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

    আজ ১ ডিসেম্বর। শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস। বাঙালির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ঘটনা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্নসাধ পূরণ হয় এ মাসে।

    বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় আসে এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

    বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ অর্জন হওয়ায় বেদনাবিধুর এক শোকগাঁথার মাসও এ ডিসেম্বর।

    এ মাসেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি তাদের সহযোগীদের নিয়ে দেশের মেধাবী, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেওয়ার এ ধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোনো নজির বিশ্বে নেই।

    ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল, স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে।

    ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

  • ঋণের নামে ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আনসার-ভিডিপি ব্যাংকের ম্যানেজার কারাগারে

    ঋণের নামে ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আনসার-ভিডিপি ব্যাংকের ম্যানেজার কারাগারে

    নোয়াখালীতে গ্রাহকদের নামে-বেনামে ভুয়া ঋণ তৈরি করে ৯ কোটির বেশি অর্থ আত্মসাৎ করার মামলায় গ্রেপ্তার আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 

    রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে র‌্যাব-১১ তাকে আটক করে।

    কারাগারে প্রেরণকৃত মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডী এলাকার নুর উল্যাহর ছেলে। তিনি নোয়াখালী জেলার দত্তেরহাট ও সেনবাগ আনসার–ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে প্রায় ৯ কোটি টাকার জালিয়াতি ও আত্মসাতের ঘটনায় তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় এই মামলা করা হয়।

    জানা গেছে, আলমগীর প্রথমে ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ২০২০ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালে জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নোয়াখালী শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও সাবেক ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন। এসময় ৩ জন ভুয়া ঋণগ্রহীতার মাধ্যম ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকাসহ প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

    একইভাবে আলমগীর আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক সেনবাগ শাখায় প্রথমে ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল এবং পরে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় মেয়াদে কর্মরত থাকা অবস্থায় ৮৯টি ভুয়া ঋণ বিতরণ দেখিয়ে প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

    দুদুকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট গত ২০ অক্টোবর ব্যাংকের রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও তদন্ত করে অসংখ্য অনিয়মের প্রমাণ পায়। তদন্তে উঠে আসে, ব্যবস্থাপক আলমগীর গ্রাহকদের অজ্ঞাতসারে ভুয়া এনআইডি, মোবাইল নম্বর ও কাগজপত্র ব্যবহার করে নামে-বেনামে ঋণ অনুমোদন করেন। অনেক গ্রাহকের বাস্তবেও অস্তিত্ব নেই। ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালী জেলা কমান্ডেন্ট মো. সুজন মিয়া বলেন, আমাদের বিভিন্ন সদস্যদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া ঋণ দেখিয়ে তিনি প্রায় ৯ কোটি টাকার মতো অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। দুদক এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে আজ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংকিং খাতে আবারও নিরাপত্তাহীনতা ও নজরদারির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    নোয়াখালী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেনকে র‌্যাবের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা তাকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। নোয়াখালী ও সেনবাগ শাখায় গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগে দু’টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মৌসুমের প্রথম যাত্রা কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের পথে তিন জাহাজে ১২শ পর্যটক

    মৌসুমের প্রথম যাত্রা কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের পথে তিন জাহাজে ১২শ পর্যটক

    প্রতীক্ষার অবসান হলো অবশেষে, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করেছে তিনটি জাহাজ। 

    সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজগুলো রওনা করে, চলতি মৌসুমে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে প্রথম এই যাত্রায় রয়েছেন ১২শ পর্যটক।

    প্রথম এই যাত্রায় অংশ নিতে ভোর থেকেই ঘাটে আসা শুরু করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বার আউলিয়া ও কেয়ারি সিন্দাবাদ নামের জাহাজগুলোর যাত্রীরা। ক্রয় করা টিকিট প্রর্দশন করে জাহাজের আসন গ্রহণ করার আগে প্রত্যেক যাত্রীর হাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়  ‘পরিবেশবান্ধব’ পানির বোতল।

    ঢাকা থেকে আসা পর্যটক অরুপ হোসেন বলেন, প্রথমবারের মতো সেন্টমার্টিন যাচ্ছি, সত্যিই খুব রোমাঞ্চকর লাগছে এই ভ্রমণ। প্রশাসনের তৎপরতাও প্রশংসনীয়, আশা করছি সময়গুলো ভালো কাটবে।’

     

    dhakapost

    সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক যেতে পারবেন অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলোতে, পরবর্তী দুই মাস (৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত) থাকছে দ্বীপে রাত্রিযাপনের সুযোগ।

    যাত্রার ক্ষেত্রে পর্যটকদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে।

    জাহাজ মালিকদের ‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের’ সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ৬টি জাহাজকে প্রশাসন অনুমতি দিয়েছে, যাত্রীর আনুপাতিক হার বিবেচনায় আজ ৩টি জাহাজ যাচ্ছে। জোয়ার-ভাটা ও নদীর নাব্যতা বিবেচনায় প্রতিদিনের যাত্রার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সেন্টমার্টিন থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজগুলো বিকেলে আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে ফিরবে।

    গতবছর থেকে টেকনাফ থেকে বন্ধ রয়েছে জাহাজ চলাচল, ফলে কক্সবাজার থেকে দীর্ঘ সমুদপথ অতিক্রমে ভ্রমণ কিছুটা ক্লান্তিদায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক রোকসানা আলী। তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন আমার পছন্দের জায়গা অনেকবার গিয়েছি। আগে টেকনাফ থেকে দ্রুত যাওয়া যেত, কিন্তু এখন সেটা হচ্ছে না। এতো দূরত্বের জার্নি একটু কষ্টের। তবুও তৃপ্তি মিলবে দ্বীপে পৌঁছে, কারণ সেখানে প্রাকৃতিক প্রশান্তি আছে।

    ঘাটে প্রবেশের সময় তল্লাশির পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত আছেন।

    পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটের কক্সবাজার রিজিয়নের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে সেন্টমার্টিন যাত্রা উপভোগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে আমাদের সার্বক্ষণিক তৎপরতা অব্যাহত আছে। সমুদ্রপথে জাহাজে এবং সেন্টমার্টিনে আমাদের সদস্যরা নিরাপত্তা দেবে, যেকোনো প্রয়োজনে সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত।

    সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গত অক্টোবরে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

    দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে অনুষ্ঠান, বারবিকিউ পার্টি, কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়াফল সংগ্রহ ও ক্রয়-বিক্রয় এবং সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

    সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ মোটরযান চলাচল বন্ধ এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ব্যবহারও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে প্রথম যাত্রার প্রারম্ভে পরিদর্শনে এসে জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর, এক্ষেত্রে অবশ্যই পর্যটক ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কাম্য।

    গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত করা হয়। তবে নভেম্বর মাস সেখানে রাত্রিযাপনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ছিল।

    রাতে থাকার সুযোগ না থাকায় সেন্টমার্টিনগামী আগ্রহী পর্যটক কম ছিল এবং এ কারণে কক্সবাজার থেকে গত নভেম্বর মাসে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যায়নি।

  • আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে বিভ্রান্তীমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে দুমকি উপজেলায়  বিএনপির সংবাদ সম্মেলন।

    আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে বিভ্রান্তীমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে দুমকি উপজেলায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন।

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে বিভ্রান্তীমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুমকী উপজেলা বিএনপি। শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় পবিপ্রবি মেইন গেট সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার এবং সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মতিউর রহমান দিপু স্বাক্ষরিত এক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মতিউর রহমান দিপু। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২৭নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে অসত্য, বানোয়াট ও বিভ্রান্তীমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে। আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২৫ টি মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে ১৬ বছর নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তার পটুয়াখালীস্থ বাসভবনে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী অসংখ্য বার হামলা করেছে। তিনি ১/১১ এর সময় বড় পুকুরিয়া সংক্রান্ত মিথ্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে – দীর্ঘ ১৯ মাস এবং ২০২৪ সালে প্রহসনের – নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা – মামলায় সাড়ে ৫মাস কারাগারে ছিলেন। – বিগত সরকারের সময় তিনি বিভিন্ন মিথ্যা – মামলায় ৮০০বারের অধিক সময় তিনি – আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।
    তিনি আরও বলেন, পটুয়াখালী-১ আসনে – আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে কেন্দ্র – মনোনয়ন দিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও – সর্বস্তরের জনসাধারণের আশার প্রতিফলন – ঘটেছে। পরিশেষে সবাইকে আলতাফ – হোসেন চৌধুরীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ – জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধানের শীষের পক্ষে – কাজ করার আহবান জানান।
    এসময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন – বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায়  দোয়া মাহফিল।।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল।।

    বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ নভেম্বর (রবিবার) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা ও আপোষহীন নেতৃত্বের প্রতীক। দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।” তিনি উপস্থিত সবাইকে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া করার আহ্বান জানান।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ আবদুল কুদ্দুস।
    দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউট্যাব, জিয়া পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • দুমকি উপজেলায়, খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিএনপি’র দোয়া ও মিলাদ।

    দুমকি উপজেলায়, খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিএনপি’র দোয়া ও মিলাদ।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৮টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), দুমকি উপজেলা শাখা (একাংশ) এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদ আহম্মেদ বায়েজীদ (পান্না)।

    দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলার সাবেক ছাত্রদল নেতা তৌফিক আলী খান কবির, দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান দিপু উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুমন শরীফ প্রমুখ।

    এ সময় পটুয়াখালী জেলা বিএনপি ও দুমকি উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতৃবৃন্দ, কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মিলাদে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নড়াইলে জাপা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নড়াইলে জাপা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে নড়াইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী জুবায়ের রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী মাহাবুয়াউর রহমান ইমরান, নড়াইল জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক সিকদার হাদিউজ্জামান, সহ-সভাপতি লিয়াকত হোসেন হিকমত, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার পারভেজ ইমন, লোহাগড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মল্লিক সাইফুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাইদুজ্জামানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    মতবিনিময়কালে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে আমরা প্রস্তুত। সরকারের পক্ষ থেকেও আমাদের কোনো বাধা নেই। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।”

    তিনি আরও জানান, নড়াইল-১ আসনে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী মাহাবুয়াউর রহমান ইমরান এবং নড়াইল-২ আসনে খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ মাঠে কাজ করছেন।

    মতবিনিময় সভায় নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ লাবলু, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, দপ্তর সম্পাদক নূরুন্নবী সামদানীসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন

  • আমরা মওদুদী ইসলাম চাই না, আমরা চাই মদিনার ইসলাম ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মাওলানা ইসহাকের স্মরণ সভায় ইঞ্জি. শ্যামল

    আমরা মওদুদী ইসলাম চাই না, আমরা চাই মদিনার ইসলাম ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মাওলানা ইসহাকের স্মরণ সভায় ইঞ্জি. শ্যামল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বিন নূরী রহ. এর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার ২৯ নভেম্বর দুপুর ১২টায় স্থানীয় সুর স¤্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হাফেজ মাওলানা রশিদ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা ইয়াছিনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা।


    স্মরণ সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির চেয়ারম্যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে আমরা একটি সংকটের মধ্যে ছিলাম। আমাদের নেত্রী তখন ছিলেন সত্যিকারার্থে একজন গৃহবধু। আমাদের দলের অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তাঁকে বুঝিয়ে দলে নিয়ে এসেছেন। আর তাঁর নেতৃত্বে এই স্বৈরাচারী এরশাদকে আমরা পতন ঘটিয়েছি। ১৯৮৬ সনের নির্বাচনে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ও জামায়াতে ইসলামী স্বৈরাচারী এরশাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে স্বৈরাচার এরশাদকে বৈধতা দিয়েছিল। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে এই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করিনি। সেই সময়ে সারা বাংলাদেশের যুব সমাজ, ছাত্র সমাজ, সারা ইউনিভার্সিটিতে তৎকালীন বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে সমঝতা করে স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটিয়েছিলাম। যাঁর নেতৃত্বে আমরা এই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলাম, যাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল এই দেশের আপামর জনগণের হৃদয়ের দল হিসেবে পরিণত হয়েছিল তিনি আজ অসুস্থ। এই কারণেই গতকাল থেকে আমরা একটা টেনশনের মধ্যে দিন পার করছি। একবার দেখি স্যোশাল মিডিয়ায়, একবার টেলিভিশনের স্ক্রলে কী হচ্ছে কী হচ্ছেনা!


    তিনি আরো বলেন, গত ১৭ বছরে সারা বাংলাদেশে কী হয়েছে জানিনা, তবে আমার মনে হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আলেম ওলামাগণ যে নির্যাতিত হয়েছেন বাংলাদেশের আর কোথাও এত নির্যাতিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। প্রায় ১৭ জন আলেম ওলামা শহিদ হয়েছেন। মোদী বিরোধী আন্দোলন, ফতোয়া বিরোধী আন্দোলন, বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে ফ্যাসিস্টের প্রতিনিধি রবিউল ছিল আলেমদের বিরুদ্ধে। আমাদের শত বছরের জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় যেভাবে পুলিশের মাধ্যমে হামলা চালিয়েছে, অত্যাচার চালিয়েছে তা ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়।
    আমাদের সমাজের আলেম ওলামা, শিক্ষক, বঞ্চিত ঈমাম, মুয়াজ্জিনসহ ফ্যাসিস্টের ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি। জুম্মা নামাজে বয়ান দিতে গিয়ে যদি সত্য কথা বলা হতো তখন পরের দিন তাকে ফোন করে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হতো, চাকরি চলে যাওয়ার ভয় দেখানো হতো। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু ঈমাম মুয়াজ্জিন চার পাঁচ মাস যাবৎ এলাকায়ও যেতে পারতো না। বিএনপিতো এমনিতেই অত্যাচারীত ছিল, আমরা যখন পিসি পাঠাতাম তখন আমাদের দলের নেতাকর্মীরা বলতো, আমাদের দলের নেতাকর্মী আছে বিশ পঁচিশজন, আলেম ওলামারাও আছে বিশ পঁচিশজন, তাদের জন্যও পিসি পাঠাতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমরা যে নির্যাতি হয়েছি আমার মনে হয় আলেম ওলামারা আমাদের চেয়েও বেশি নির্যাতিত হয়েছে।
    আজকের বাস্তবতা আমরা একটা শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হচ্ছে। এই শক্তি ইতিমধ্যেই বাড়ি বাড়ি ঘুরে তারা বেহেশতের চাবি দিয়ে দিচ্ছে। হেফাজতের মুরুব্বী জুনাইদ আহমেদ বাবুনগরী সাহেব বলেছেন আমরা মওদুদী ইসলাম চাই না, আমরা চাই মদিনার ইসলাম।


    আমাদের এখন ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়ত হবে এবং মওদুদী ইসলামের বিরুদ্ধেও লড়তে হবে। জামায়াত ইসলাম গ্রামে গ্রামে মহিলাদের পাঠিয়ে মা বোনদের ধোকা দিচ্ছে। মা বোনদের বলছে, তারা বেহেশতের চাবি নিয়ে এসেছে। মওদুদী ইসলাম শুরু হয়েছে ১৯৪১ সনে আর মদিনার ইসলাম শুরু হয়েছে দেড় হাজার বছর আগে। তারা ৪১ সালের মওদুদী ইসলাম নিয়ে ফতোয়া দেয়া শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। সেজন্য আপানারা গ্রামে গঞ্জে গিয়ে গ্রামের মানুষদেরকে বোঝাতে হবে, সবাইকে বোঝাতে হবে। ইতিমধ্যে আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হেফাজতের মুরুব্বিরাও আমাদের সাথে একমত হয়েছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন মাওলানা কাজী নাজিম উদ্দীন।
    এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সহসভাপতি এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপল, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ওলামা দলের উপদেষ্টা সাব্বির আহমেদ খান প্রমূখ।

     

  • দুর্বৃত্তদের ককটেল সন্ত্রাস: তারেক রহমানের নির্দেশে গ্রামীণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনে ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী

    দুর্বৃত্তদের ককটেল সন্ত্রাস: তারেক রহমানের নির্দেশে গ্রামীণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনে ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দুর্বৃত্তদের নিক্ষেপ করা ককটেল বোমার বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন করেছেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও গাজীপুর-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী।

    শনিবার সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি পার্কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঘুরে দেখে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।

    পরিদর্শনকালে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পার্কের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেন। তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা জরুরি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম. আনোয়ার হোসেনসহ গ্রামীণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বিভিন্ন কর্মকর্তা।