Author: তরঙ্গ টিভি

  • জানুয়ারিতে ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ নিলামে তুলছে বিটিআরসি

    জানুয়ারিতে ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ নিলামে তুলছে বিটিআরসি

    দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে আগামী জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রতিযোগিতামূলক নিলামে তুলছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী ১৪ জানুয়ারি বাণিজ্যিক অপারেটরদের মধ্যে এই অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

     

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি এই উদ্যোগকে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের জন্য একটি ‘সুখবর’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তার পোস্টে বলেন, ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ একটি কৌশলগত জাতীয় সম্পদ। এই তরঙ্গ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। বেজ প্রাইস ধরে রাষ্ট্রের অন্তত ১১ হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের তরঙ্গ সম্পদ এতদিন আটকে রাখা হয়েছিল। সব ষড়যন্ত্র পেছনে ফেলে এই অকশন আয়োজন করতে বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করেছে।

    তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এসেছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ৭০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে ফোরজি ও ফাইভজি নেটওয়ার্ক কভারেজের মান উন্নয়ন, গ্রাম ও শহরে নেটওয়ার্ক বিস্তার এবং ইনডোর নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে এই ব্যান্ডের তরঙ্গ কম সংখ্যক টাওয়ার ব্যবহার করেই বিস্তৃত এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

  • উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে ৪৪টি নবনির্মিত পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন

    উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে ৪৪টি নবনির্মিত পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন

    উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে ১১ জেলার ৪৪ উপজেলায় নবনির্মিত পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গতকাল সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষ থেকে লাইব্রেরিগুলোর উদ্বোধন করেন তিনি।

    উদ্বোধনের সময় তিনি বলেন, লাইব্রেরিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে নির্মাণ কাজের সমাপ্তি নয়, আমাদের প্রতিশ্রুতি, দায়িত্ব এবং শিক্ষিত-জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হয়েছে। লাইব্রেরিগুলো জ্ঞান, আলোক ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, দেশে বিদ্যমান আঞ্চলিক বৈষম্যকে মাথায় রেখে লাইব্রেরিগুলোর স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। বিশেষত রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৪১ উপজেলা এই প্রকল্পের আওতায়। প্রতিটি লাইব্রেরির নির্মাণ খরচ ৫৩ লক্ষ টাকা এবং প্রকল্পের মোট বাজেট ২৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা বলেও জানান তিনি।

    উপদেষ্টা বলেন, নবনির্মিত লাইব্রেরিগুলোতে ডিজিটাল লাইব্রেরি, ই-বুক এবং অনলাইন রিসোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষায় অভ্যস্ত হবেন। নবনির্মিত প্রতিটি পাবলিক লাইব্রেরিতে ২টি করে নতুন পদ সৃজনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। পদৃজনের পূর্ব পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় লাইব্রেরিগুলো পরিচালনা করবেন।

  • গাজীপুরের যেসব এলাকায় ২ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না

    গাজীপুরের যেসব এলাকায় ২ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না

    গাজীপুরের কালীগঞ্জে কয়েকটি এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ও শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    জাতীয় গ্রিড লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করার কারণে উপজেলার তিনটি পৃথক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের কথা জানিয়েছে পল্লীবিদ্যুৎ।

    এর আগে, বুধবার দুপুরে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন কালীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আক্তার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৭ নভেম্বর ও ২৯ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় লাইনে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এ সময়ে কালীগঞ্জ, সেভেন রিংস এবং জাংগালিয়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় কালীগঞ্জ উপজেলা, কালীগঞ্জ থানা এলাকা এবং প্রোপার ফিডার বিকল্পভাবে সচল রাখা হবে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যুৎ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নির্বিঘ্নে শেষ হওয়া এবং ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতের স্বার্থে গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কাজটি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে এসব এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে। কাজটি সফলভাবে শেষ করতে এলাকার মানুষের সহায়তা চেয়েছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।

  • প্রিপেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া নিয়ে যা বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ

    প্রিপেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া নিয়ে যা বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ

    বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসের প্রথম রিচার্জে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কাটা হয় বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আর কোনো মাসে রিচার্জ করা না হলে পরবর্তী রিচার্জে তা সমন্বয় করা হয়।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ।

    বার্তায় বলা হয়, প্রিপেইড মিটার ও পোস্ট পেইড মিটার উভয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ও খরচ সমান। প্রিপেইড মিটারে ব্যবহার্য বিদ্যুতের বিপরীতে রিচার্জ করা এনার্জির ওপর সরকারের প্রণোদনা হিসেবে ০.৫ শতাংশ রিবেট (ছাড়) দেওয়া হয়। প্রিপেইড মিটার সংযোগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জামানত লাগে না। পোস্ট পেইড মিটারের মতো প্রিপেইড মিটারের অনুমোদিত লোডের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ কিলোওয়াট প্রতি মাসিক ৪২ টাকা হারে (আবাসিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে) ও ভ্যাট ৫ শতাংশ নিয়ম অনুসারে কাটা হয়। এ ছাড়া বিতরণ প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে সিঙ্গেল ফেজ ৪০ টাকা ও থ্রি ফেজ ২৫০ টাকা হারে মিটার ভাড়া কাটা হয়। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক/যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মিটার নষ্ট হলে সংস্থা কর্তৃক বিনামূল্যে মিটার বদলে দেওয়া হয়। গ্রাহকের সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে মিটার ভাড়া প্রযোজ্য নয়।

    এতে আরও বলা হয়, গ্রাহক আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী প্রয়োজনমাফিক প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করতে পারেন। যেকোনো সময় ও স্থান হতে অনলাইনে যেমন– বিকাশ/নগদ/জিপি/রবি/উপায়/ডেবিট কার্ড/ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদির মাধ্যমে রিচার্জ করার সুযোগ থাকায় যাতায়াতের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হয়। এছাড়াও সংস্থার ভেন্ডিং স্টেশন, পস এজেন্ট ও ব্যাংক বুথের মাধ্যমেও প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করা যায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে মিটার থেকে এনার্জি ব্যালেন্স জানা যায় এবং মিটারের ব্যালেন্স কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যালার্ম/নোটিফিকেশন দেওয়া হয়।

    বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, প্রিপেইড মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও গ্রাহক বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত, সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্রবার ও শনিবার) ও ইমার্জেন্সি ক্রেডিট ফ্যাসিলিটিজ ভোগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যবহৃত ইউনিটের বিপরীতে অগ্রিম হিসেবে ইতোপূর্বে গৃহীত বকেয়া ব্যালেন্স হিসেবে মিটারে জমা হয়, যা পরবর্তী রিচার্জের সময় এনার্জি ব্যালেন্স থেকে কাটা হয়ে থাকে। মিটারে এনার্জি ব্যালেন্স অবশিষ্ট থাকলে পরবর্তী মাসে মিটার রিচার্জ না করলে অবশিষ্ট ব্যালেন্স হতে ব্যবহৃত এনার্জি খরচ কাটা হয়। তবে জমা (অবশিষ্ট) ব্যালেন্স থেকে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কাটা হয় না।

    শুধু প্রতি মাসের প্রথম রিচার্জে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কাটা হয়। যদি কোনো মাসে রিচার্জ করা না হয় তাহলে পরবর্তী রিচার্জের সময় পূর্ববর্তী সব মাসের অপরিশোধিত ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়ার বকেয়া কাটা হয়।

  • কুয়েটের মূল ফটকে মারধরের ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    কুয়েটের মূল ফটকে মারধরের ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) মূল ফটকে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় কাজী সাদিক মাহমুদ নামে এক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাময়িক বহিষ্কার করেছে। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

    বৃহস্পতিবার (২৭ নভেস্বর) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে স্ট্রিট পেইন্টিং ও স্টলের জায়গা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়।

    জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে কুয়েটের মেইন গেট সংলগ্ন ভর্তি পরীক্ষার স্ট্রিট পেইন্টিং ও স্টলের জায়গা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ ব্যাচের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী সাদিক মাহমুদ ও একই ব্যাচের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র জহিরুল ইসলামের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে সাদিক মাহমুদ তার হাতে থাকা কাটার দিয়ে জহিরুল ইসলামের পেটের বাম পাশে পোচ দেয়। আহত জহিরুল ইসলামকে তার সহপাঠীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    এ ঘটনায় সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাকসুদ হেলালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, হল প্রভোস্ট, ছাত্র কল্যাণ পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান ও নিরাপত্তা কমিটির সদস্যদের এক জরুরি সমন্বয় সভা করে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঘটনার ব্যাপারে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী সাদিক মাহমুদকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আনিছুর রহমান ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত সাময়িক বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র কাজী সাদিক মাহমুদ লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র জহিরুল ইসলামকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার ব্যাপারে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী সাদিক মাহমুদকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে। বিষয়টি পূর্ণ তদন্তের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যথারীতি ব্যবস্থা গ্রহণ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    অন্যএক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ সকল কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। এই ঘটনার পর ক্যাম্পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক ছাত্র অধ্যুষিত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

  • গণঅধিকার পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী ঘোষণা

    গণঅধিকার পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী ঘোষণা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণঅধিকার পরিষদ দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে।

    গতকাল (বৃহস্পতিবার) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এ তালিকা ঘোষণা করেন। এসময় দলের সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, হাবিবুর রহমান রিজু ও যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    দ্বিতীয় দফায় ঘোষিত পরিষদের সাংগঠনিক ১০ বিভাগের প্রার্থীরা নিম্নরূপ—
    ঢাকা বিভাগ : আব্দুল জব্বার (ঢাকা-১), ফারুক হোসেন (ঢাকা-২), মো. সাজ্জাদ (ঢাকা-৩), সৈয়দ ইব্রাহিম রনক (ঢাকা-৫), মো. ইসমাঈল হোসেন (ঢাকা-৮), মো. ফকরুল ইসলাম (ঢাকা-৬), মো. আরিফুর রহমান (ঢাকা-১৭), আলমগীর অপূর্ব (ঢাকা-১১), মো. মামুন হোসেন (ঢাকা-১৬), আহসান হাবীব (ঢাকা-১৮), আজহারুল ইসলাম পাঠান (গাজীপুর-১), মাহফুজুর রহমান খান (গাজীপুর-২), ওয়াসিম উদ্দিন (নারায়ণগঞ্জ-১), আরিফ ভূঁইয়া (নারায়ণগঞ্জ-৪), নাহিদ হোসেন (নারায়ণগঞ্জ-৫) ও মো. ইলিয়াস হোসেন (মানিকগঞ্জ-১)।বরিশাল বিভাগ : মো. ইলিয়াস মিয়া (বরিশাল-১), এইচ. এম. ফারদিন ইয়ামিন (বরিশাল-৩), মো. রফিকুল ইসলাম রাসেল (বরিশাল-৫), মো. হাবিবুর রহমান (পটুয়াখালী-২), শামসুল আলম (পিরোজপুর-২), হুসাইন মুহাম্মদ শাহাদাৎ (ঝালকাঠি-১), ও মাহমুদুল ইসলাম সাগর (ঝালকাঠি-২)।

    রংপুর বিভাগ : বিন ইয়ামিন মোল্লা (কুড়িগ্রাম-১), মো. আশরাফুল আলম (রংপুর-৩), মো. মামুনুর রশীদ মামুন (ঠাকুরগাঁও-৩), মো. নাইম ইসলাম (লালমনিরহাট-২), জাকিউল হাসান সিদ্দিক (লালমনিরহাট-৩), আবদুল্লা মিয়া বাবলু (কুড়িগ্রাম-২), এ্যাড. সাজ্জাদ হোসেন পলাশ (কুড়িগ্রাম-৪), মো. মাসুদ রানা মোন্নাফ (গাইবান্ধা-১), মো. সামিউল ইসলাম (গাইবান্ধা-৫), মো. মাহফুজার রহমান (পঞ্চগড়-১), আসাদুজ্জামান নুর (পঞ্চগড়-২), মো. মাহমুদুল হাসান (দিনাজপুর-১), মো. গোলাম আজম (দিনাজপুর-২), মো. ইমরান খান (দিনাজপুর-৪), মো. শাহজাহান চৌধুরী (দিনাজপুর-৫), মো. বুলবুল আহমেদ (দিনাজপুর-৬) ও এডভোকেট শফিকুল ইসলাম শিমুল (ঠাকুরগাঁও-১)।

    খুলনা বিভাগ : জি. এম. রোকনুজ্জামান (খুলনা-১), মো. সোহেল চৌধুরী (খুলনা-৪), এ. বি. এম. আশিকুর রহমান (যশোর-৫), মো. আবুল কালাম গাজী (যশোর-৪), জেসিকা মুর্শীদ প্রাপ্তি (যশোর-৬), মো. আশিকুর রহমান (নড়াইল-১), লায়ন মো. নুর ইসলাম (নড়াইল-২), মো. সুমন কবির (ঝিনাইদহ-৩), শাখাওয়াত হোসেন (ঝিনাইদহ-৪), ডা. খলিলুর রহমান (মাগুরা-১) ও মো. শাকিল আহমেদ তিয়াশ (কুষ্টিয়া-৪)।

    ময়মনসিংহ বিভাগ : মো. শাহ সুলতান মৃধা (ময়মনসিংহ-২), মো. আজিজুর রহমান (ময়মনসিংহ-৩), প্রফেসর ড. মো. আবু জাফর সিদ্দিকী (ময়মনসিংহ-৪), মো. রবিউল হাসান (ময়মনসিংহ-৬), মো. জিয়াউর রহমান (ময়মনসিংহ-৮), মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ময়মনসিংহ-১১), মো. কাজী হায়াৎ (শেরপুর-২), মো. মাহফুজুর রহমান (শেরপুর-৩), মো. ইসমাঈল হোসেন (জামালপুর-২), মো. ইকবাল হোসেন (জামালপুর-৪), জাকির হোসেন (জামালপুর-৫) ও আলহাজ মো. আব্দুল কাদির (নেত্রকোনা-০৪)।

    চট্টগ্রাম বিভাগ : সাকিব হোসাইন (খাগড়াছড়ি), মো. নিজাম উদ্দিন (চট্টগ্রাম-১), রবিউল হাসান তানজিম (চট্টগ্রাম-২), মাইনুল ইসলাম রুবেল (চট্টগ্রাম-৪), মো. শোয়েব (চট্টগ্রাম-৫), মো. বেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৭), মো. লুৎফর হায়দার (চট্টগ্রাম-৮), কামরুন নাহার ডলি (চট্টগ্রাম-৯), আরিফ মাহমুদ (চট্টগ্রাম-১০), মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন (চট্টগ্রাম-১১), এমদাদুল হাসান (চট্টগ্রাম-১২), মো. মুজিবুর রহমান চৌং (চট্টগ্রাম-১৩), মো. নাসির উদ্দিন (চট্টগ্রাম-১৫), মো. আবুল বাশার বাদশা (রাঙ্গামাটি-২৯৯) এবং এস. এম. রোকনুজ্জামান খান (কক্সবাজার-২)।

    কুমিল্লা বিভাগ : আবদুল্লাহ হাসান (কুমিল্লা-৯), মো. হারুন উর রশিদ  (ফেনী-২), মো. ইউছুফ (ফেনী-৩), মো. কাউসার আলম (লক্ষ্মীপুর-১), আবুল বাশার (লক্ষ্মীপুর-২), মো. মুরাদ হোসেন (লক্ষ্মীপুর-৩), ফখরুদ্দিন মোল্লা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), আশরাফুল হাসান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), নজরুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), এনায়েত হোসেন হাসিব (চাঁদপুর-১), মো. জাকির হোসেন (চাঁদপুর-৩) ও নুরুল আমিন (নোয়াখালী-৩)।

    ফরিদপুর বিভাগ : ফারুক ফকির (ফরিদপুর-২), জাহাঙ্গীর খান (রাজবাড়ী-১), মো. খবির হোসেন (শরীয়তপুর-১), আখতারুজ্জামান সম্রাট (শরীয়তপুর-২), ফকির আহম্মেদ আলী (গোপালগঞ্জ-১) ও আবুল বাশার দাড়িয়া (গোপালগঞ্জ-৩)।

    সিলেট বিভাগ : আকমল হোসেন (সিলেট-১), জামান আহমেদ সিদ্দিকী (সিলেট-২), জহিরুল ইসলাম (সিলেট-৪), মো. শাহনেওয়াজ চৌধুরী রাহাত (সিলেট-৫), এড. জাহিদুর রহমান (সিলেট-৬), আবুল হোসেন জীবন (হবিগঞ্জ-১), মো. নজরুল ইসলাম খান (হবিগঞ্জ-২), চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান (হবিগঞ্জ-৩), মো. পারভেজ আহমেদ (সুনামগঞ্জ-৩), সওগাত উসমানী চৌধুরী (সুনামগঞ্জ-৪), আসগর আলী (সুনামগঞ্জ-৫), খন্দকার সাইদুজ্জামান সুমন (মৌলভীবাজার-২), মো. অপু রায়হান (মৌলভীবাজার-৩) ও হারুনুর রশীদ (মৌলভীবাজার-৪)।

  • রূপগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেডে উন্নীতের দাবিতে স্মারকলিপি

    রূপগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেডে উন্নীতের দাবিতে স্মারকলিপি

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের দশম গ্রেডে উন্নীতের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল ২৭নভেম্বর বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করে। এসময় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট(ফার্মা) আব্দুল গাফ্ফার মোল্লা, মোঃ বাদল মিয়া, চন্দনা রাণী বিশ্বাস, শাহাজাদি হারুন, টেকনোলজিস্ট(ল্যাব) আলমগীর কবির, গোলাম মোস্তফা, টকনোলজিস্ট(ডেন্টাল) আব্দুল হামিদ মোল্লা, টকনোলজিস্ট(রেডিওগ্রাফী) সেলিনা সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট(ফার্মা) আব্দুল গাফ্ফার মোল্লা বলেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্য সেবাদান কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। স্বাস্থ্য সেবা একটি টিম ওয়ার্ক কাজ। এর তত্তাবধানে চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রোগ নির্ণয়ে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। ইতিমধ্যে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা নার্স ও ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হচ্ছেনা।

    কোয়ারীর পর কোয়ারী হলেও তাদের ১০ম গ্রেডের উন্নীত ফাইল লাল ফিতার দৌড়াতেœ চাপা পড়ে আছে। মানুষের স্বাস্থ্য সেবার কথা বিবেচনা করে তারা আন্দোলন সংগ্রামে যাননি। অবিলম্বে তাদের দাবী মানতে হবে। অন্যথায় কর্ম বিরতিসহ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • হিজলায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার—ছাত্রদলের সদস্য

    হিজলায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার—ছাত্রদলের সদস্য

    বরিশাল জেলা ছাত্রদলের অধীন হিজলা উপজেলা ছাত্রদলের ১ং সদস্য রিফাত মাঝিকে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে পদ ও সদস্যপদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম সিঠু এবং সাধারণ সম্পাদক তোফিকুল ইসলাম ইমরান বহিষ্কারের অনুমোদন প্রদান করেন হামলার ঘটনা ও অভিযোগে উল্লেখ্য, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে হিজলা উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে হরিনাথপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সোহেল বেপারীর ওপর হামলা চালানো হয়।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হামলার ঘটনায় রিফাত মাঝি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। আগের অভিযোগও বিবেচনায় এছাড়াও, এর আগেও—বিশেষ করে ৫ আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী সময়ে—হরিনাথপুর ইউনিয়নে মাঝি পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্ম, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ানোর একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল। এইসব অভিযোগ ও সর্বশেষ হামলার ঘটনার পর জেলা ছাত্রদল দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    জেলা ছাত্রদলের অবস্থান সংগঠনের শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জেলা ছাত্রদল জানায়, যে কোনো বিশৃঙ্খল, অপরাধমূলক বা দলীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

  • পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৫তম সভা।

    পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৫তম সভা।

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক নীতি-নির্ধারণী ফোরাম একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৫তম সভা বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স রুমে শুরু হওয়া দিনব্যাপী এ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিভিন্ন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ ইকতিয়ার উদ্দিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবদুল লতিফ, রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সকল সদস্য।

    সভায় বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের চলমান একাডেমিক কার্যক্রম, কোর্স কারিকুলাম হালনাগাদ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ৭ জন গবেষকের পিএইচডি ডিগ্রি, গবেষণা অগ্রগতি ও নতুন একাডেমিক পরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “একাডেমিক মানোন্নয়ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণভোমরা। আমরা চাই পবিপ্রবি শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, সারা দেশের একটি অগ্রণী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করুক।

    আজকের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ আমাদের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও গতি দেবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।”তিনি আরও বলেন,“শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনে আমাদের সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পবিপ্রবির সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় একাডেমিক কাউন্সিলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—আমি সকল সদস্যকে তাদের মূল্যবান মতামত এবং সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাই।” দিনব্যাপী আলোচনার পর বিকেল ৫টায় সভাটি সুন্দর ও সফলভাবে সমাপ্ত হয়।

  • নোয়াখালীতে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

    নোয়াখালীতে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

    নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন সাব্বির (২২) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক দুজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহীন মিয়া। এর আগে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চর গুল্যাখালী গ্রামের পান বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভিকটিমকে ঢাকা নেওয়ার পথে একই দিন দিবাগত রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    নিহত সাব্বির উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বপুর গ্রামের তাজু ড্রাইভার বাড়ির মো.লিটনের ছেলে। অপরদিকে আটককৃতরা হলেন, উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের পান বেপারী বাড়ির মো.সিরাজের ছেলে আব্দুর সোবহান শামীম (৩০) ও তার স্ত্রী ফারহানা আক্তার (২৩)।

    নিহতের বন্ধু আনোয়ার হোসেন শাকিল বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে ৪-৫ দিন আগে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চর গুল্যাখালী গ্রামের পান বেপারী বাড়ির আমার খালা মানোয়ারা বেগমের খেতের লাউ গাছ গোপনে কেটে ফেলে তার দেবর শামীম। তিনি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা তাকে হাতেনাতে দুর্বৃত্তকে ধরতে পরামর্শ দেয়। গতকাল বুধবার বিকেলে তার মরিচ গাছের চারা কেটে ফেলার সময় তিনি তার দেবর শামীমকে দেখে ফেলে। সাথে সাথে তাকে জিজ্ঞাসা করলে উল্টো তার দেবর আমার খালাকে মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে আমি আমার বন্ধু সাব্বিরসহ আমার খালার বাড়িতে গিয়ে তাকে হাসপাতালে পাঠাই। এরপর আমরা আমার খালার বসতঘরে তালা দিয়ে চলে আসার পথে শামীম আমাদের সাথে কথা বলতে এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন মহিলারা-মহিলারা গন্ডগোল হয়েছে, তিনি কিছু করেননি। এরপর আমরা কেন এসেছি বলেই ক্ষিপ্ত হয়ে শামীম তার হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাব্বিরকে মাথায় কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।

    কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহীন মিয়া আরও বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে মাথায় কুপিয়ে ওই তরুণকে গুরুত্বর আহত করা হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে সে মারা যায়। পুলিশ অভিযানে রয়েছে। পরে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।