Author: তরঙ্গ টিভি

  • তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

    তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

    রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে ‎ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন।

    আহত তাওসিফ মাইমুন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক এবং ওই কলেজের সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত একাধিক সাংবাদিকের ওপরো হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

    ‎‎জানা যায়, শনিবার (২৪–২৫) সেশনের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কলেজের বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টানায় শাখা ছাত্রশিবির। শিবিরের অভিযোগ, তাদের টানানো ব্যানার ছাত্রদল ছিঁড়ে ফেলে। ‎‎এ ঘটনায় পুনরায় ব্যানার টানাতে ক্যাম্পাসে যায় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এ সময় ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালনে হামলার শিকার তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সদস্য ও ডেইলি ক্যাম্পাসের কলেজ প্রতিনিধি মো. আল আমিনকে রক্ষা করতে গিয়ে তাওসিফ মাইমুন হামলার শিকার হন। এ সময় সাংবাদিক সমিতির সহযোগী সদস্য মো. সাদিকুল ইসলামকে মারধর করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলায় আহত সাংবাদিকরা জানান, সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতরা কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেন, সদস্য সচিব সেলিম রেজা ও যুগ্ম সাধারণ আরিফ মোল্লার অনুসারী।  হামলার নেতৃত্ব দেওয়া হারুন আর রশিদ, আতিক জলিল, মো, আল-আমিন, মামুন হলের সভাপতি আফ্রিদি, রকনুজ্জান, রাকিব, নূরুল আমিন, মেহেদী হাসান ম্যাক্স, আলিফ ও আবিদ হোসেন নাইমসহ আরও ২৫-৩০ জন হামলা চালান।

    তাওসিফ মাইমুন বলেন, সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ করেই আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এরপর তারা সমিতির অন্যান্য সদস্যদের ওপরও হামলা শুরু করলে তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে যাই।  তখনই আমার মাথায় লাঠি দিয়ে জোরালো আঘাত করা হয় এবং আমাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে কলেজের ছাত্রী নিবাসের গেটের সামনে থেকে আমাকে টেনে-হিঁচড়ে ক্যাম্পাসের মাঠে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করা হয়। ওই সময় তারা আমার মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

    সাংবাদিক সমিতির সদস্য মো. আল আমিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এসে আমাকে জিজ্ঞাসা করে ‘সাংবাদিকতা করছিস? সাংবাদিকতা বন্ধ করে দেব। এরপর তারা আমাকে মারধর শুরু করে। আমি দৌড়ে কলেজ মাঠের দিকে গেলে সেখানেও তারা লাঠি দিয়ে আমার পায়ে আঘাত করে।

    মো. সাদিকুল ইসলাম বলেন, আজ ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গেলে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ফোন কেড়ে নিয়ে যায়। এরপর আনুমানিক ২০ জন মিলে আমাকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে তারা লাঠি দিয়ে ইচ্ছেমতো মারধর করে এবং আমার ফোনের ভিডিওগুলো মুছে দেয়।

    হামলার বিষয় জানতে চাইলে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলে আহ্বায়ক ইমাম হোসেন বলেন, শিবিরের পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। শিবির ছাত্রদলের তর্কাতর্কির মধ্যে তাওসিফ শিবিরের সাপোর্ট টেনেছে। আমি এখনো বিস্তারিত জানতে পারেনি। কোনো কোরামের পোলাপান ছিল তাও জানি না।

    এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

  • মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত, কাউন্টার ভাঙচুর

    মাদারীপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী রাকিব মোল্লা নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। একইসঙ্গে আহত হয়েছে আরও একজন।

    এ ঘটনায় রোববার (২৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে জেলার কালকিনি উপজেলার বাজারে থানা রোডের পাসে থাকা সার্বিক পরিবহনের টিকিট কাউন্টারসহ মুদি দোকান ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।

    এর আগে, রোববার বিকেলে কালকিনি উপজেলার শিকারমঙ্গল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিব একই উপজেলার উত্তর রমজানপুর গ্রামের সাহাবুদ্দিন মোল্লার ছেলে। সে রমজানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে কালকিনি উপজেলার দিকে দিকে যাচ্ছিল রাকিব ও তার বন্ধু রবিন। পথিমধ্যে শিকারমঙ্গল এলাকার আসলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় সড়কে ছিটকে পড়ে রাকিব ও রবিন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় উত্তর রমজানপুর গ্রামের আলাউদ্দিন মোল্লার ছেলে আহত রবিনকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়ে। এ ঘটনায় রোববার রাতে কালকিনি থানা রোডের পাসে থাকা সার্বিক পরিবহনের কাউন্টার ও দুটি মুদি দোকান ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।

    নিহতের চাচা আলাউল মোল্লা বলেন, ছোট সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকে কালকিনি-সাহেবরামপুর সড়কে যেন বাস চলাচল করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    মাদারীপুরের কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সার্বিক পরিবহনের একটি টিকিট কাউন্টার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জাজিরার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

    জাজিরার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনির মীর, তার ছেলে পলাশ মীর এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। “আর নয় মাদকের জাল—মাদকমুক্ত হোক আমাদের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ” এ স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও শান্তিকামী মানুষদের আয়োজনে রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খান কান্দির মোড় এলাকায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।

    মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে মনির মীর ও তার পরিবার পালেরচরে প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তাদের প্রভাব, ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের কারণে সাধারণ মানুষ নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তরুণ সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে—এমন আশঙ্কা থেকে তারা অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মনির মীর এলাকায় “গাঞ্জা মনির” এবং তার ছেলে পলাশ মীর “বা’বা পলাশ” নামে পরিচিত। তাদের পুরো পরিবার সমন্বিতভাবে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে, যা স্থানীয় মানুষকে আতঙ্কে রাখছে।

    সাবেক ইউপি সদস্য মোতালেব হাওলাদার বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো সমাজকে ধ্বংস করে। পালেরচরকে আবার শান্তির জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হলে এই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

    স্থানীয় বাসিন্দা গফুর বেপারী বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই পরিবারের অত্যাচার সহ্য করছি। ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। এখন আমরা ঐক্যবদ্ধ। প্রশাসন যদি কঠোর হয়, মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব।”

    আ. রহমান আকন অভিযোগ তুলে বলেন, “রাত-বিরাতে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে গেছে। মাদক ব্যবসা এখানে প্রকাশ্যেই চলে। এই পরিবারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা জরুরি।”

    একজন উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহসীন হাওলাদার বলেন, “মাদক ব্যবসার কারণে তরুণ প্রজন্ম বিপথে যাচ্ছে। বাবা হিসেবে আমি চিন্তিত। সন্তানদের রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”

    ইমন চোকদার বলেন, “শুধু আইনের ওপর নির্ভর করলে হবে না, মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের প্রতিটি মানুষকে দাঁড়াতে হবে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে অপরাধীরা পালাতে পারবে না।”

    স্থানীয় তরুণ রাজা মাল বলেন, “আজকের মানববন্ধন শুধু প্রতিবাদ নয়, অঙ্গীকার—পালেরচরকে মাদকমুক্ত করব।”

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর নজরদারির দাবি জানান। স্থানীয়রা জানান, তাদের এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না এলাকায় শান্তি ফিরে আসে

  • দিনাজপুরে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউসকে জড়িয়ে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র

    দিনাজপুরে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউসকে জড়িয়ে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র

    বাড়ির মালিকের যোগসাজশে গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে চম্পট দিয়েছে সাকসেস ভিশন লিমিটেড

    দিনাজপুর পৌরসভার স্টেশন রোডস্থ ভাই ভাই মঞ্জিলে পাশাপাশি দুটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান— সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউস এবং সাকসেস ভিশন লিমিটেড—চলমান। এর মধ্যে সাকসেস ভিশন লিমিটেড গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ রাকাত আলী ওরফে প্রিন্স গত এক বছর ধরে সাকসেস ভিশন লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি ভেঙে পড়ার পর গ্রাহকদের কোটি টাকার দায়ভার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউস-এর প্রোপ্রাইটর মোঃ মোস্তফার উপর।

    প্রতারণার কৌশল হিসেবে সাকসেস ভিশন লিমিটেড বিভিন্ন লোভনীয় অফার দেয়—মাত্র ৩ হাজার টাকা দিয়ে সদস্য হলে প্রতিদিন পাবেন ১০০ টাকা, আর নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করলে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল। এই প্রলোভনে পড়ে রুমা সেন, হুসনে আরা বিউটি, শাহীনুর আরা, মিনু রাণী রায়, লাবণ্য রাণী রায়সহ কয়েকজন নারী ব্যাপকভাবে সদস্য সংগ্রহে নামেন এবং প্রায় দেড় হাজার মানুষকে সদস্য করেন। তাদের কমিশনের বিনিময়ে এই নারীরাই অসহায় পরিবারগুলোকে সর্বস্বান্ত হওয়ার দিকে ঠেলে দেন।

    এছাড়া জানা গেছে, প্রিন্স অনুপস্থিত থাকলে তার দায়িত্ব পালন করতেন লাবণ্য রাণী রায়।

    এ ঘটনায় সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো—১৯ নভেম্বর দিনাজপুর প্রেসক্লাবে কিছু ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ সংবাদ সম্মেলন করলেও সেখানে তারা বারবার সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউস-এর নাম উল্লেখ করেন; কিন্তু সাকসেস ভিশন লিমিটেডের নাম গোপন রাখেন। সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের পরেও তারা ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের বিরুদ্ধে লেনদেনের কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এতে স্পষ্ট হয়—ঘটনাটিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার একটি সুগভীর চক্রান্ত চলছে।

    অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, ১৫ নভেম্বর রাতে ভাই ভাই মঞ্জিলের মালিক জাবেদ কাজী ও তার পরিবারের সদস্যরা সাকসেস ভিশন লিমিটেডের প্রতারক এমডি রাকাত আলী প্রিন্সের জন্মদিন পালন করেন এবং সদস্যদের জন্য ভুড়িভোজের আয়োজন করেন। অথচ মাত্র একদিন পরেই অর্থ আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায় প্রিন্স।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ রাকাত আলী ওরফে প্রিন্স গত এক বছর ধরে সাকসেস ভিশন লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পালিয়ে যাওয়ার পর গ্রাহকদের কোটি টাকার দায়ভার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাকসেস ভিশন ডিস্ট্রিবিউশন হাউস-এর প্রোপ্রাইটর মোঃ মোস্তফার উপর

  • মানবতাবিরোধী অপরাধ সবুজ প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির দুই সেনা কর্মকর্তা

    মানবতাবিরোধী অপরাধ সবুজ প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির দুই সেনা কর্মকর্তা

    চব্বিশের জুলাই-আগস্টে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ দুই সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন চারজন।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে বাংলাদেশ জেল-প্রিজন ভ্যান লেখা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সবুজ রঙের গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তায় তাদের আনা হয়।

    এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হবে। এ মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের দিনও ধার্য হতে পারে আজ।

    রেদোয়ানুল ছাড়া অপরজন হলেন- বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। পলাতকরা হলেন- ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।

    dhakapost

    সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে গত ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। শুনানি শেষে এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। যা এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শুনানির জন্য ৫ নভেম্বর দিন ঠিক করা হয়। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২৬ অক্টোবর আদেশটি দেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল। অপর সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এদিকে, দুই সেনা কর্মকর্তাকে হাজির করা উপলক্ষ্যে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। হাইকোর্টের প্রবেশপথসহ ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকে অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে র‌্যাব-বিজিবি। সুপ্রিম কোর্ট এলাকার আশপাশে টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

    উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলেছে। এর মধ্যে রামপুরায় নিহত হয়েছেন ২৮ জন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রামপুরায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এছাড়া অন্যরাও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এ হত্যাযজ্ঞে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইবুনালে চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।

  • ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনায় বড় অগ্রগতি, শিগগির সমাধানের আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনায় বড় অগ্রগতি, শিগগির সমাধানের আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা নিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউক্রেন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

    যদিও খসড়া নিয়ে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে মতপার্থক্য রয়েই গেছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    রোববার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইউক্রেনে প্রায় চার বছর ধরে চলমান রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের যে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে, তাতে “অসাধারণ অগ্রগতি” হয়েছে। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

    জেনেভায় মার্কিন মিশনে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, “আমরা সত্যিই অনেকদূর এগিয়েছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ বিষয়ে এগিয়ে যেতে পারব বলে আমি খুব আশাবাদী।”

    তিনি জানান, ন্যাটোর ভূমিকা এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মতো কিছু ইস্যুতে কাজ বাকী থাকলেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থাপিত ২৮ দফার শান্তি প্রস্তাবের বেশ কিছু জটিল বিষয়ে তারা মতপার্থক্য কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

    রুবিওর ভাষায়, “আজ আমরা সে দিক থেকে খুব বড় অগ্রগতি করেছি।”

    ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের প্রধান আন্দ্রি ইয়ারমাকও একই সুরে বলেন, আলোচনায় “খুব ভালো অগ্রগতি” হয়েছে এবং তারা “ইউক্রেনের প্রাপ্য ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির দিকে এগোচ্ছে”।

    এর আগে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে না। এরপরই ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনকে ধন্যবাদ জানাতে শুরু করেন। রোববার সকালে ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “ইউক্রেনের ‘নেতৃত্ব’ আমাদের প্রচেষ্টার জন্য কোনো কৃতজ্ঞতা দেখায়নি, আর ইউরোপ এখনো রাশিয়া থেকে তেল কিনছে।”

    অল্পক্ষণ পরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করে লেখেন, তার দেশ “যুক্তরাষ্ট্রকে… এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে” ধন্যবাদ জানাচ্ছে, কারণ এই সহায়তা “ইউক্রেনের প্রাণ বাঁচাচ্ছে”।

    এদিকে সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কি খুব শিগগিরই ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে পারেন।

    এছাড়া বৃহস্পতিবারের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব কি না— এমন প্রশ্নে রুবিও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব এটি শেষ করা”। তিনি প্রস্তাবিত মার্কিন পরিকল্পনাকে “পরিবর্তনশীল নথি” হিসেবে বর্ণনা করেন, যা সংশোধন হতে থাকবে। এবং চূড়ান্ত প্রস্তাব তৈরি হলে তা মস্কোর কাছেও উপস্থাপন করতে হবে।

    রুবিও বলেন, “স্পষ্টতই, এখানে রাশিয়ারও মতামত দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।”

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবশ্য আগেই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির “ভিত্তি” হতে পারে। তবে ইউক্রেন আলোচনা থেকে সরে এলে আরও ভূখণ্ড দখলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

  • জাকির হোসেন হাওলাদার। ‎দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

    জাকির হোসেন হাওলাদার। ‎দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

    পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনজন। আরও দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। গুরুতর আহতদের দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।‎

    রোববার বিকেল ৪টার দিকে দুমকী-রাজাখালী বাসস্ট্যান্ডের মাঝের ব্রিজ সংলগ্ন পশ্চিম পাশের ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।‎গুরুতর আহতরা হলেন—বাউফলের শাপলাখালী এলাকার মো. বাবু (৩০), রাজনগর এলাকার নূর জাহান (৫০) ও চরগরবদি এলাকার মাহিন্দ্রা চালক মো. হারুন (৫০)। বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ‎অন্য আহতরা হলেন—বাউফলের কায়না গ্রামের বাবুল মোল্লা (৫৮) ও জুয়েল মোল্লা (২৪)।‎প্রত্যক্ষদর্শী সুজন খান বলেন, ‘দুমকীর দিক থেকে আসা মাহিন্দ্রাটির সামনে হঠাৎ তিনটি কুকুর চলে আসে। ড্রাইভার সাইড নিতে গিয়ে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাইট পোস্টে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার পর গাড়ির পেছনে আগুন ধরে যায়। চালক ও যাত্রীরা লাফ দিয়ে নামলেও একজন মহিলা ভেতরেই আটকে ছিলেন।’
    ‎‎আহত যাত্রী বাবুল মোল্লা জানান, ‘ড্রাইভার শুরু থেকেই দ্রুতগতি তুলেছিলেন। আমরা বলার পর একটু কমিয়েছিলেন। পরে একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে সামনে কুকুর পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে।’‎দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • শরীয়তপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বসতঘর পুড়ে ছাই

    শরীয়তপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই বসতঘর পুড়ে ছাই

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার সংলগ্ন চরসাতমাটিয়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর ও ঘরের আসবাবপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে আফজাল সরদারের বসতবাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় গোসাইরহাট ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট। গ্রামবাসীর সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী মিল্টন মন্ডল।

    অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা—বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করেই আফজাল সরদারের ঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের আরেকটি বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী আপ্রাণ চেষ্টা করলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়দের দাবী—দ্রুত সরকারি পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান জরুরি।

  • গজারিয়ায় প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ মাহফুজের মৃত্যুতে গণমাধ্যমে শোক

    গজারিয়ায় প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ মাহফুজের মৃত্যুতে গণমাধ্যমে শোক

    গজারিয়ার বাউশিয়া ইউনিয়নের মনারকান্দি গ্রামের শান্ত সকালটি হঠাৎই ভারী হয়ে ওঠে এক বেদনাবিধুর সংবাদে। এলাকার সর্বজনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ মাহফুজ আর জীবিত নেই ।এই খবরটি যেন মুহূর্তেই পুরো গজারিয়ার আকাশে শোকের কালো চাদর নামিয়ে আনে। সত্য ও মানবতার পক্ষে যার কলম ছিল সদা জাগ্রত, সেই মানুষের প্রয়াণে থমকে যায় স্থানীয় সাংবাদিক অঙ্গন।খবর আইবিএননিউজ

    গত শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী সাংবাদিক এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে নেমে আসে গভীর বিষাদ। সামাজিক মাধ্যমেও শোকবার্তার ঢল নামে।

    মরহুমের ছোট ভাই এবং ভবেরচর ওয়াজীর আলী হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল গাফফার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান,বাদ আছর নিজ বাড়িতেই মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ।পরিবারের সদস্যদের মতে, তিনি শুধু একজন ভাই নন, পুরো পরিবারের শক্তি ও আশা ছিলেন।

    দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে গজারিয়া উপজেলায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধান এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিবেদিত করে রেখেছিলেন আব্দুল আজিজ মাহফুজ। দুর্নীতি, অনিয়ম, সামাজিক সমস্যা—এসবের বিরুদ্ধে তিনি সবসময় ছিলেন সাহসের প্রতীক। তার প্রতিবেদনে মানুষের কথা, সমাজের বাস্তব চিত্র এবং মানবিক মূল্যবোধ ফুটে উঠতো গভীর সততার সঙ্গে।

    স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি শুধু সাংবাদিক ছিলেন না; ছিলেন একজন পরামর্শদাতা, সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো একজন মানবিক মানুষ, এবং সমাজ পরিবর্তনের এক অনুপ্রেরণাদায়ী মুখ। তার মৃত্যুতে গজারিয়ার সাংবাদিকতা অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে মনে করছেন তার সহকর্মীরা।বাদ আছরের জানাজায় এলাকার অসংখ্য মানুষ উপস্থিত হবেন বলে জানা গেছে। প্রিয় মুখটি আর ফিরে না এলেও তার কাজ, তার নীতি, তার মানবিকতা এবং সমাজের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।সাংবাদিক আবদুল আজিদ মাহফুজের মৃত‍্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞ‍্যাপন কসেছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন
    হাকিকুল ইসলাম খোকন,সভাপতি,আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন,এমএ সালাম,প্রধান সম্পাদক,বাপসনিউজ,ড.প্রদিপ রজ্ঞন কর,প্রধান সম্পাদক,এনওয়াবিডিনিউজ,সাংবাদিক সুমি খান,লেখক ও সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান মিলন,সাংবাদিক মোঃনাসির,এডিটর,এনজেবিডিনিউজ,লেখক কবি ও সাংবাদিক এবিএম সালেহ উদিদন,সাংবাদিক আলমগীর ভূঁইয়া,সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ,সাধারণ সম্পাদক,আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন,আয়েশা আক্তার রবি,সম্পাদক,আইবিএননিউজ২৪.কম,সাংবাদিক আরিফুর রহমান আরিফ,সম্পাদক,ব্রাহ্মণবাড়ীয়া২ইউএসএ.কম,সাধারণ সম্পাদক,নিঊজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন,সাংবাদিক ওসমান গনি,সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি,বিবিএননিউজ,সাংবাদিক সুহাস বডুয়া,সম্পাদক,বিবিএননিউজ,সাংবাদিক বিশ্বজিৎ সাহা,সহযোগী সম্পাদক,বিবিএননিউজ,সাংবাদিক ও এনওয়াইপিডি অফিসার সরদার আল মামুন,সাংবাদিক ও এনওয়াইপিডি কারেকশান অফিসার পংকজ রায়,সাংবাগিক দেলওয়ার মানিক,সাংবাদিক ও লায়ন আহমেদ শোহেল,সাংবাদিক নূরুল আবেদীন,সম্পাদক,প্রবাসেরনিউজ,সাংবাদিক ফিরোজ আহমেদ কল্লোল,সাংবাদিক এম পাপ্পু চৌধুরী ওবং সাংবাদিক শোহেন চৈধূরীসহ ১০১ জন সাংবাবাদিক ।

  • আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর ফেইসবুক পোস্ট

    আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর ফেইসবুক পোস্ট

    আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল হক চৌধুরী তার থেইসহক পেইডে লিখেছেন,আইন এডভাইদার আসিফ নজরুলের বাটপারি/ধোঁকাবাজির হুংকার শুধু মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য।
    ভন্ড আসিফ বলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে আসিসিতে যাবে, ভারতকেও চিঠি দেবে তাকে ফেরত পাঠাতে, কিন্তু আসিফ কি জানে আইসিসিতে গেলে পুরো রায়ই বাতিল হয়ে যাবে?

    কারন অন্য দেশ থেকে আসামি ফিরিয়ে আনা আইসিসি’র এখতিয়ারে পড়েনা এবং ভারত আইসিসি”র সদস্য রাষ্ট্রও নয়। আর আইসিসি’র এখতিয়ারে পড়েনা এইজন্য যে, এই বিচার আইসিসি করেনি।
    আইসিসির কাছে আবেদন করলে তারা এই বিচারের রায় কিভাবে ও কি কি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে চাইবে এবং তখনই প্রমান হবে এটা একটা ভুয়া বিচার, কোনো গ্রহনযোগ্য প্রমান নাই সব ভুয়া ও অনুমান নির্ভর।
    তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই রায় বাতিল হয়ে যাবে!
    দেখবেন এই মিথ্যুক আসিফ নজরুল এবিষয়ে আইসিসি নিয়ে আর কথা বলবেনা।

    আর ভারতকে বন্দী বিনিময় চুক্তির অধীনে চিঠি দেয়ার কথা বলেছে, বন্দী বিনিময় চু্ক্তির কাজ হচ্ছে ভারতের কোনো অপরাধী বা বাংলাদেশের কোনো অপরাধী এই দুই দেশে গ্রেফতার হলে তাকে এই চুক্তির আওতায় হস্তান্তর করবে। কিন্তু তার মাথায় এটা আসেনি যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে বন্দী নন তিনি ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় বিশেষ মর্যাদাপুর্ন অতিথি যা রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানরাই পায়।

    নদী শাসন আইন নিয়ে পড়াশোনা করে ফৌজদারি ও অন্যান্য প্রচলিত আইন নিয়ে গত ১৫ মাসে যত কথা এই নির্লজ্জ আসিফ নজরুল বলেছে তা সবই ভুল এমনকি আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে বেআইনী কাজ ও কথা বলেই চলেছেন এই ভন্ডটা!
    ভাবতেও অবাক লাগে এধরণের নিম্নমানের এবং অযোগ্য ব্যাক্তি কিভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো মর্যাদাপুর্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে!!!