Author: তরঙ্গ টিভি

  • ইসির শক্ত ভূমিকা চায় দলগুলো ইসি থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা করার প্রস্তাব বিএনপির।  লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল চায় জামায়াত।  জোটবদ্ধ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার নিয়ে দলগুলোর পক্ষে-বিপক্ষে মত।  সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে দলগুলোর সহায়তা চায় ইসি।  এ পর্যায়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষ।  জাপা ও ১৪ দলের শরিকদের সংলাপে ডাকার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসি।

    ইসির শক্ত ভূমিকা চায় দলগুলো ইসি থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা করার প্রস্তাব বিএনপির। লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল চায় জামায়াত। জোটবদ্ধ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার নিয়ে দলগুলোর পক্ষে-বিপক্ষে মত। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে দলগুলোর সহায়তা চায় ইসি। এ পর্যায়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষ। জাপা ও ১৪ দলের শরিকদের সংলাপে ডাকার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসি।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ চলছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষেফাইল

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিরপেক্ষ থেকে শক্ত ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। আবার ইসি কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে, সেটা নিয়েও কোনো কোনো দলের সংশয় রয়েছে।

    গতকাল বুধবার দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপে এমন মতামত উঠে আসে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে ইসি। এর অংশ হিসেবে গতকাল নির্বাচন ভবনে দুই পর্বে মোট ১২টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। সকালে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৭টি দল এবং বিকেলে বিএনপিসহ ৫টি দল সংলাপে অংশ নেয়।

    সংলাপে অংশ নিয়ে বিএনপি আগামী সংসদ নির্বাচনে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলির ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

    এ ছাড়া সংলাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন করে সেনাসদস্য মোতায়েন, আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না দেওয়া, নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানো রোধে ব্যবস্থা নেওয়া, নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া, নির্বাচনী আইনবিধি সংস্কারে দলগুলোর সঙ্গে আবার আলোচনা করা, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করার পরামর্শ এসেছে।

    নির্বাচন ভবনে দুই পর্বে মোট ১২টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। সকালে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৭টি দল এবং বিকেলে বিএনপিসহ ৫টি দল সংলাপে অংশ নেয়।

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। গতকাল বিকেলের সংলাপে সিইসি বলেন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসি ওয়াদাবদ্ধ। এ ক্ষেত্রে দলগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। ইসি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

    সিইসি আরও বলেন, দেশের আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক, সামাজিক বাস্তবতাটা মেনে নিয়েই ইসিকে এগোতে হবে। দলগুলোর পরামর্শ ইসি বিবেচনায় রাখবে। তিনি জানান, গণভোটের আইন হওয়ার পর এ বিষয়ে কাজ শুরু করবে ইসি।

    সংলাপে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। সংলাপ সঞ্চালনা করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

    ইসি ১৩ নভেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে। এখন ইসিতে নিবন্ধিত দল আছে ৫৬টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে।

    ইসি সূত্র জানায়, গতকাল পর্যন্ত ৪৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও তৃণমূল বিএনপি বাদে বাকি ৪৭টি দল সংলাপে অংশ নিয়েছে। এ ছাড়া ইসিতে নিবন্ধিত জাতীয় পার্টি (জাপা), আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক দল জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, তরীকত ফেডারেশনকে এখনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

    জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রথম আলোকে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা এই পর্যায়ে শেষ। কিছু দলের নিবন্ধনের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। কোনো দল নিবন্ধন পেলে তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা হতে পারে।

    জাপা ও ১৪ দলের শরিকদের সংলাপে ডাকা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, এ বিষয়ে ইসি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা এই পর্যায়ে শেষ। কিছু দলের নিবন্ধনের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। কোনো দল নিবন্ধন পেলে তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার

    ইসির কর্মকর্তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে চায় বিএনপি

    সাধারণত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনাররা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ক্ষেত্রবিশেষে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। গতকালের সংলাপে বিএনপির পক্ষ থেকে ডিসি ও ইউএনওদের বদলে ইসির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। বিএনপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়।

    আবদুল মঈন খান সংলাপে বলেন, নির্বাচনে কয়েক লাখ নির্বাচন কর্মকর্তা প্রয়োজন। ইসির এত লোকবল নেই। কিন্তু ইসির যতটুকু জনবল আছে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। ইসির উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘একবার সাহস করে এই সিদ্ধান্তটা নেন যে রিটার্নিং অফিসার আপনাদের নির্বাচন কমিশন থেকে থাকবে। অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার আপনাদের নির্বাচন কমিশনের ডেডিকেটেড লোকেরা হবে। দেখবেন এই একটা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে।’

    আবদুল মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চারটি বোতাম আছে। একটি হচ্ছে ডিসি, একটি হচ্ছে এসপি, একটি হচ্ছে ইউএনও, আরেকটি হচ্ছে ওসি। এ চারটি বোতাম টেপা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। ৩০০ আসনে নির্বাচনের ফলাফল বের হয়ে আসে। এ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, তাঁরা ইসিকে সব সহায়তা করবেন। কিন্তু ইসিকে শক্ত থাকতে হবে। সরকারের কাছে ইসি নতজানু থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

    একবার সাহস করে এই সিদ্ধান্তটা নেন যে রিটার্নিং অফিসার আপনাদের নির্বাচন কমিশন থেকে থাকবে। অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার আপনাদের নির্বাচন কমিশনের ডেডিকেটেড লোকেরা হবে। দেখবেন এই একটা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে।

    আবদুল মঈন খান , বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন সংলাপে বলেন, ভোটের মাঠের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) গুরুত্বপূর্ণ। নানাভাবে অনেকের চরিত্র হনন, ভুয়া তথ্য, অপতথ্য, এআই ব্যবহার করে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি ইসির অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে এবং উপজেলা পর্যায়ে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ব্যবস্থা রাখা; প্রয়োজনে ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সঙ্গে কথা বলা; বিভিন্ন সংস্থার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

    বিএনপির প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল ও সাবেক সচিব মো. জকরিয়া।

    লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল চায় জামায়াত

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলির পেছনে কোনো একটা উদ্দেশ্য আছে বলে মনে করে জামায়াতে ইসলামী। তারা তফসিলের পর লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে বদলি ও পদায়নের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া তফসিল ঘোষণার আগেই সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিধান রাখার পরামর্শ দেয় দলটি।

    গতকালের সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এক মাসও হয়নি, ২০ দিনও হয়নি, একজন ডিসি সেখানে চলে গিয়েছেন (বদলি)। সেটাও হঠাৎ করে। আবার এই সপ্তাহের মধ্যে অনেককে রদবদল করা হয়েছে। এটার পেছনে মনে হয় যেন কোনো একটা ডিজাইন করে, একটা উদ্দেশ্যে এই কাজটা কোনো জায়গা থেকে হচ্ছে।’

    লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলির পক্ষে মত তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লটারির মাধ্যমে বদলি করা হলে এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। তিনি বলেন, এর আগেও কয়েকটি নির্বাচন কমিশনের সময়ে তফসিল ঘোষণার পর এক রাতে সব ডিসি-এসপির বদলি হয়েছে। তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও নির্বাচনী আচরণবিধিতে তার উল্লেখ না থাকার বিষয়ে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীরা কীভাবে গণভোট দেবেন, সে বিষয় স্পষ্ট করা, প্রবাসী ভোটের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিকল্প হিসেবে পাসপোর্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের বিধান করার প্রস্তাব দেন তিনি।

    সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আরও অংশ নেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও আইনজীবী শিশির মনির।

    ইসির সামর্থ্য নিয়ে সংশয়

    নতুন নিবন্ধন পাওয়া এনসিপির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়। ইসিকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ইসি যদি তার স্বতন্ত্র অবস্থান বজায় রাখতে পারে এবং তার প্রতিশ্রুতি যদি সংবিধানের কাছে হয়, কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে না হয়, তাহলে এনসিপি ইসিকে শতভাগ সহযোগিতা করবে।

    নির্বাচনী আচরণবিধি প্রয়োগ করার সামর্থ্য ইসির আছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা। নির্বাচনী আচরণবিধির ৭ ধারার চ উপধারাই ইসির ‘প্রথম পরীক্ষা’, এমন মন্তব্য করে জহিরুল ইসলাম সংলাপে বলেন, ‘বিএনপির বর্তমান প্রধান হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। সে ক্ষেত্রে তারেক রহমানের ছবি বিএনপির কোনো প্রার্থী যদি ব্যবহার করেন, তাহলে কমিশনকে তার ওপর এই বিধিমালা প্রয়োগ করতে হবে। তখন এই কমিশনের সক্ষমতাটা দেখা যাবে।’

    এনসিপির প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা।

    চাপের মুখে একটি দলের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ইসির ভূমিকার সমালোচনা করেন গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব রাশেদ খাঁন। বিকেলের সংলাপে তিনি অভিযোগ করেন, ইসি মেরুদণ্ড সোজা রেখে কাজ করতে পারছে না।

    ইসি সূত্র জানায়, গতকাল পর্যন্ত ৪৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও তৃণমূল বিএনপি বাদে বাকি ৪৭টি দল সংলাপে অংশ নিয়েছে। এ ছাড়া ইসিতে নিবন্ধিত জাতীয় পার্টি (জাপা), আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক দল জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, তরীকত ফেডারেশনকে এখনো আ

  • আমতলীতে স্বপ্ন ছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায়দের  মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    আমতলীতে স্বপ্ন ছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    প্রচণ্ড শীতের প্রকোপ থেকে বেওয়ারিশ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষদের কষ্ট লাঘব করতে এক প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন। সংগঠনটির একদল নিবেদিতপ্রাণ তরুণ স্বেচ্ছাসেবী আজ আমতলী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে দুস্থদের মাঝে উষ্ণ শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন।


    শহরের অলিগলি, রাস্তার ধার এবং বাজার চত্বর—যেখানেই অসহায় মানুষ দেখা গেছে, সেখানেই ছুটে গেছেন ‘স্বপ্নছোঁয়ার’ তরুণ সদস্যরা। শীতের রাতে রাস্তায় শুয়ে থাকা বেওয়ারিশ মানুষের গায়ে যখন ভালোবাসার উষ্ণতা মিশিয়ে শীতবস্ত্র জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল, তখন স্বেচ্ছাসেবীদের চোখে-মুখেও ফুটে উঠছিল এক অনাবিল মানবিক তৃপ্তি।


    কর্মসূচিতে যারা ছিলেন:
    এই মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি তানজিল এইচ রাব্বি, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহম্মেদ, অর্থ সম্পাদক আলামিন, কর্মসূচি সম্পাদক সজিব, এবং সদস্য শাকিল ও সাইদুল এবং জান্নাত।
    যতদিন শক্তি থাকবে, ততদিন মানুষের সেবায় কাজ করব’


    শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচির সময় সংগঠনের সভাপতি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম আবেগঘন কণ্ঠে তাদের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন—
    > “আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই। স্বপ্নছোঁয়া কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি মানুষের জন্য একটি আশ্রয়স্থল হতে চায়। যতদিন আমাদের শক্তি থাকবে, ততদিন মানুষের সেবায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।”
    >
    তরুণদের এমন মহৎ উদ্যোগে এলাকাবাসী গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্বপ্নছোঁয়ার সদস্যরা জানিয়েছেন, এই শীতের পুরো মৌসুমজুড়েই তাদের উষ্ণতা বিতরণের এই মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে

  • ডুমুরিয়ার নবাগত ইউএনও কে ফুলের শুভেচ্ছা জানান অফিসার ও‌ ইট ভাটার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ

    ডুমুরিয়ার নবাগত ইউএনও কে ফুলের শুভেচ্ছা জানান অফিসার ও‌ ইট ভাটার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ

    বুধবার ১৯‌নভেম্বার সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় নবাগত নির্বাহী অফিসার জহুরুল ইসলামকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান অফিসার ও‌ ইট ভাটার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
    এর হলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহাজান জমাদ্দার, সহ-সভাপতি আব্দুল হাই বাহার, উপদেষ্টা আলহাজ্ব আমিনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবু রঞ্জন কুমার সরদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোড়ল, কোষাধক্ষ্য মোঃ কামরুল ইসলাম, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু , বাবু পুষ্প কুমার সরদার, রুহুল আমিন কালু, মাওলানা তৌফিকুর রহমান ,পাপ্পু চৌধুরী সহ আরো অনেকে ফুলের শুভেচ্ছা শেষে উপজেলা অফিসারদের সাথে পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভাপতি উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার কাজল মল্লিক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির,
    সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান, কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসান ইবনে আমিন, প্রকৌশলী মুহাম্মাদ দারুল‌ হুদা,
    প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাঁসি রাণী, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান,আই সিটি কর্মকর্তা শেখ সুমন হাসান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন, বন বিভাগের উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ লেকাত আলী,সহ আরো অনেক।।

    ডুমুরিয়া উপজেলা নবগত ইউএনও মোঃ জহুরুল ইসলাম অফিসারদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য “শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন” জানিয়ে বলেন যে তিনি ভালো আছেন এবং নতুন দায়িত্বে সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। এই ধরনের শুভেচ্ছা বিনিময় সাধারণত নতুন কর্মকর্তা যোগদান করলে বা কোন বিশেষ অনুষ্ঠানে হয়ে থাকে, যেখানে নতুন কর্মকর্তা তার নতুন পদে যোগদানের জন্য অভিনন্দন জানান এবং সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    এখানে কিছু সম্ভাব্য বক্তব্য তুলে ধরা হলো যা নবগত ইউএনও অফিসাররা বলতে পারেন:
    “আমি এই উপজেলায় যোগদান করতে পেরে আনন্দিত। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন আমার নতুন যাত্রাকে আরও মসৃণ করবে।”
    “আমি আশা করি আমরা একসাথে কাজ করে উপজেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারব।”
    “আনাদের সকলের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি এই নতুন অধ্যায়ে আমরা একসাথে কাজ করতে পারব

  • পাঁচবিবিতে গ্রামীণ সড়ক বিষয়ক কর্মশালা

    পাঁচবিবিতে গ্রামীণ সড়ক বিষয়ক কর্মশালা

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম আহমেদ। উপজেলার সকল গ্রামীণ জনপদের সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এলজিইডি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তালুকদার। প্রকৌশলী শিমুল কুমার কুন্ডু কর্মশালায় গ্রামীণ জনপদের সড়কে সহজ উপায়ে চলাচল বিষয়ে বিষদ আলোচনা করেন।

    উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মোঃ মোবারক হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাসান আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ডালিম, সম্পাদক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আলম তালুকদার রুকু, পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ জিয়াউল ফেরদৌস রাইট, সাবেক ছাত্রদল নেতা আবু তাহের, উপজেলা জামায়াতের আমির সুজাউল করিম, সেক্রেটারি আবু সুফিয়ান মুক্তার, পৌর আমীর আবুল বাশার মাষ্টার, উপজেলা বিআরডিবির সভাপতি ও বিএনপি নেতা প্রভাষক মোঃ সাইদুর রহমান, ধরঞ্জী ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হোসেন চৌধুরী, বাগজানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হক, পাঁচবিবি বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ তাইজুল ইসলাম, সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ সরকার বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সভাপতি আজাদ আলী, সম্পাদক সজল কুমার দাস সহ শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, ইমাম, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সমাজসেবক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন।

  • দিনাজপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত  প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধে সাংবাদিক সম্মেলন।

    দিনাজপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধে সাংবাদিক সম্মেলন।

    ১৯ নভেম্বর বুধবার বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমে দিনাজপুর-১ আসন সহ দেশবাসীকে অবগত করা হয় উপজেলা বিএনপির সন্মানিত সভাপতি, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সমাগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের ঘোষনাকৃত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু’র বিরুদ্ধে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জাকির হোসেন ধলু’র নেতৃত্বে একটি পক্ষের গুটি কয়েক লোক দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং গত ১৭ নভেম্বর ভুয়া, ভিত্তিহীন ও ব্যক্তি আক্রোশ মুলক তথ্য দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিএনপির সুনাম ক্ষুন্ন করে ধানের শীষ প্রতীকের ঘোষনাকৃত প্রার্থীকে হারিয়ে প্রতিপক্ষ জামায়াত প্রার্থীকে জিতানোর চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

    জামায়াত প্রার্থীর সাথে তার যে সখ্যতা রয়েছে তার অনেক প্রমান ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রয়েছে। যাহা ইতোমধ্যে আমারাও দেখেছি। সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ধলু মনোনয়ন ঘোষনার পূর্বে বিভিন্ন স্থানে বক্তব্য দিয়েছিলেন- ”ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ যেই পাক আমি তার সঙ্গেই দলের হয়ে কাজ করবো”।

    কিন্তু মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু প্রতীক বরাদ্দের পরে জাকির হোসেন ধলু ও তার সমর্থক গোষ্টিরা অপপ্রচার চালিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে প্রার্থীকে হেয় প্রতিপন্ন এবং দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশকে বিভ্রান্তমূলক বলে জনগনের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজে লিপ্ত হয়েছেন।

    এতে করে বিএনপির প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে গুরুত্বপূর্ন করে তুলেছে। যা দলের জন্য ক্ষতিকারক।

    অথচ ইংরেজি ২০০৯ সাল হতে মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় নেতা-কর্মীর বিপদে-আপদে পাশে আছেন।

    নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় তাদের পাশে থেকে তাদের ও পরিবার গুলিকে সহযোগিতা করেছেন এবং বর্তমানেও করে যাচ্ছেন।

    পক্ষান্তরে জাকির হোসেন ধলু বলে বেড়াচ্ছেন, মনঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু আন্দোলন সংগ্রামে ছিলো না। একজন সাধারন সম্পাদকের এহেন মিথ্যাচার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল।

    অথচ মঞ্জু সাহেব বীরগঞ্জে প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    যার অনেক প্রমান বর্তমানে মিডিয়ায় পাওয়া যায়।

    মনঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু সাহেব সভাপতি হওয়ার পর হতে প্রতি বছর ব্যক্তিগত অর্থায়নে উত্তরের হিমেল হাওয়ার কনকনে শীতে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দিয়েছেন কম্বল ও শীতবস্ত্র।

    ব্যক্তিগত অর্থায়নে এ যাবত ৩০০ টি দুস্থ পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মান পুর্বক সপরিবারে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন।

    বন্যায় টিন, পিলার, খাদ্য-বস্ত্র সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। করোনাকালীন সময়ে দিয়েছেন বিভিন্ন অনুদান ও চিকিৎসা সামগ্রী।

    মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের দিচ্ছেন বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা। তিনি আল্লামা সাইদি সাহেবের রায়ের দিন উত্তর গড়েয়ায় সংঘর্ষপ ও গোলাগুলিতে মৃত নিরঞ্জন রায়ের পিতাকে কর্মসংস্থানের জন্য ভ্যান গাড়ীসহ বেশকিছু অভাবী মানুষকে ভ্যান গাড়ী ও দোকান ঘর বানিয়ে দিয়েছেন।

    যা বীরগঞ্জ-কাহারোলে অন্য কোন রাজনৈতিক নেতার পক্ষে এখন পযর্ন্ত সম্ভব হয়নি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দাবী করেন, জনাব মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু ছাড়া বীরগঞ্জ-কাহারোলে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার জন্য আর যোগ্য কোনো প্রার্থী নেই এবং আমরা নিশ্চিত, মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু’র মাধ্যমে ধানের শীষকে বিজয়ী করে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে প্রথমবারের মতো এই আসনটি উপহার দিতে পারবেন।

    বিএনপির সুনাম ক্ষুন্ন কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ও বহিস্কার সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দলের প্রান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে জোর দাবী জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, দিনাজপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক, বীরগঞ্জ ইটভাটা মালিক সমিতি, হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি ও সাবেক ভিপি জননেতা মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাদশা, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শামীম ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য বাবু সুভাস দাস, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ফজলে আলম শাহিন, জেলা সদস্য ও বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম মাজু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত জুলিয়াস জুয়েল, জেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহব্বায়ক লাইসুর রহমান লিপু, বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মমতাজুল করিম তাজু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলহাজ্ব তানভীর আহম্মেদ চৌধুরী, নেতা আব্দুল জব্বার, উপজেলা মহিলা দল সভানেত্রী মাহফুজা বেগম, সাধারণ সম্পদক ইউপি সদস্য আঞ্জুআরা বেগম, বীরগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা, পৌর মহিলা দল সভানেত্রী সাবেক কাউন্সিলর সাবিনা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলার রহিমা বেগম, ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ আকাশ চৌধুরীসহ অনেকে

  • এক মঞ্চে আ.লীগ নেতা, ওসি ও বিএনপি নেতা!

    এক মঞ্চে আ.লীগ নেতা, ওসি ও বিএনপি নেতা!

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে চৌমুহনী খুর্শিদ হাই স্কুল এন্ড কলেজে আয়োজিত মাদকবিরোধী সচেতনতা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।গত রবিবার(১৬ নভেম্বর)প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রিয়া ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহীদুল্লাহ। একই মঞ্চে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগসহ বিএনপির আরও কয়েকজন বিএনপি নেতা। ক্ষমতাসীন দল,প্রায় বিরোধী দল ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধিদের একই মঞ্চে উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।


    অধ্যক্ষ মোহন মিয়া সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীর ও আওয়ামী লীগ নেতা রহম আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবেও এলাকায় পরিচিত। রাজনৈতিক পরিচয়সহ তার পুরোনো ছবি আবারও ভাইরাল হওয়ায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় একটি অংশের অভিযোগ—তিনি অতীতে আওয়ামী লীগের প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন তার কলেজে গেলে নাকি যথাযথ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়নি এবং এমপি হয়েও তিনি প্রটোকল পাননি। পাশাপাশি কলেজ পরিচালনা নিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগও মাঝে মাঝে ওঠে বলে দাবি করছে আরেকটি মহল।
    তবে সমর্থকদের দাবি, মোহন মিয়া ছিলেন উপজেলার একমাত্র নেতা যিনি আগে প্রকাশ্যে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। এদিকে এক মঞ্চে ওসি, বিএনপি নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতার উপস্থিতি নিয়ে জনমনে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ মনে করছেন মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে রাজনীতি প্রধান বিষয় নয়, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন—প্রশাসনের নিরপেক্ষতা কি বজায় থাকল?
    বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
    কয়েকজন জানিয়েছেন,অতীতে আওয়ামী লীগ তাকে ব্যবহার করেছে।বর্তমানে বিএনপি নেতারা তার কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন। ঘুরেফিরে ঘটনা একই।
    এদিকে সমালোচনা ও আলোচনা চলমান থাকলেও অধ্যক্ষ মোহন মিয়া নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে একসময় দল করতাম। আমি কোনো অপরাধ বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। রাজনীতি করা খারাপ কিছু না। আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। একজন শিক্ষক হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি।”
    চৌমুহনী খুর্শিদ হাই স্কুল এন্ড কলেজে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি এবং একই মঞ্চে আ.লীগ নেতা, ওসি ও বিএনপি নেতার উপস্থিতি নিয়ে মাধবপুরজুড়ে এখনো ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    ছবি: একই মঞ্চে আওয়ামী লীগ নেতা ও অধ্যক্ষ মোহন মিয়া, ওসি মোঃ শহীদুল্লাহ এবং বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান সোহাগ — পাশে ভাইরাল হওয়া ফেসবুক স্ক্রিনশট

  • ভারতবধে ৯ বছরের মধ্যে সেরা র‌্যাংকিং হামজাদের

    ভারতবধে ৯ বছরের মধ্যে সেরা র‌্যাংকিং হামজাদের

    বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা আজ পুরুষ ফুটবলের র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হোম ম্যাচে ভারতকে হারানোর সুফল পেয়েছে বাংলাদেশ। ৮৯৪ পয়েন্টের সঙ্গে ১৭ পয়েন্ট যোগ হয়েছে। ৯১১ পয়েন্ট নিয়ে ১৮৩ থেকে উন্নীত হয়ে ১৮০ স্থানে উঠে এসেছেন হামজা-জামালরা। 

    ২০১৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশের র‌্যাংকিং ছিল ১৭৮। এরপর জুন মাসে হয় ১৮১। এরপর নামতে নামতে ১৯৭ পর্যন্ত হয়েছিল। মাঝে মধ্যে কমলেও গত কয়েক বছর ১৮৩-১৮৭ পর্যন্তই ঘুরপাক খাচ্ছিল বাংলাদেশ। নয় বছর পর ১৮০ স্পর্শ করল তারা। ভারত বাংলাদেশের চেয়ে ৪৭ ধাপ এগিয়ে ছিল। সেই দলের বিপক্ষে জয় পাওয়ায় বাংলাদেশের র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে। আর ভারতের ৬ ধাপ অবনতি হয়ে ১৩৬ থেকে ১৪২ নেমেছে।

    বাংলাদেশ নভেম্বর উইন্ডোতে নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচও খেলেছিল। সেই ম্যাচে ড্র করেছিল। ফিফার ওয়েবসাইটে অবশ্য ওই প্রীতি ম্যাচের ফলাফল প্রদর্শন করেনি। নেপাল ১৮০ থেকে নেমে ১৮২তম।

    এদিকে পর্তুগাল (৬) ও নেদারল্যান্ডসকে (৭) এক ধাপ নামিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে গেছে ব্রাজিল। এক ধাপ করে এগিয়ে নবম ও দশম স্থানে উঠেছে জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া। ক্যামেরুনকে হারানোর পর তিউনিসিয়ার সঙ্গে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

    যথারীতি শীর্ষে আছে স্পেন। পরের তিনটি স্থানে আগের মতোই আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড অবস্থান করছে।

  • শেরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে আগুন

    শেরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে আগুন

    শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গ্রামীণ ব্যাংকের হাতিবান্ধা শাখা অফিসের গেটের সামনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৯ নভেম্বর) ভোররাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর রাত ৮টার দিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা তার ফেসবুক আইডিতে আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমিন আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান উপদেষ্টাকে কটাক্ষ করে স্লোগান দিচ্ছে দুর্বৃত্তরা এবং গ্রামীণ ব্যাংক হাতিবান্ধা শাখার সাইনবোর্ডে আগুন জ্বলছে। দরজায় কোনো দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন লাগানোরও চেষ্টা করা হয় এবং কার্যলয়ের সামনে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ সময় তাদের কারও চেহারা স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি।

    শাখা কর্তৃপক্ষ জানায়, অফিসের কোনো কিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

    ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমিন বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্যাংকের শাখাটিতে সামান্য আগুন দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে এতে কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। এছাড়া যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ সর্বদা মাঠে রয়েছে।

  • ৩০ হাজার টাকায় করেন ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট করতে গিয়ে আটক

    ৩০ হাজার টাকায় করেন ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট করতে গিয়ে আটক

    মাগুরায় অর্থের বিনিময়ে পাওয়া ভোটার কার্ড নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক সদস্য পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।

    বুধবার দুপুরে মাগুরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা মো. রিয়াস নামের ওই ব্যক্তিকে সদর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। একদিন আগে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে পাওয়া ভোটার কার্ড নিয়ে তিনি মাগুরা পাসপোর্ট অফিসে যান। সেখানে দেওয়া কাগজপত্রে তার বাবার নাম রতন আলি মৃধা, মা মোছা. শুকুরন খাতুন এবং গ্রামের ঠিকানা মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মাগুরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, মো. রিয়াস নামের ওই ব্যক্তি পাসপোর্ট করতে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে বুধবার তার দেওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে ফিঙ্গার প্রিন্ট যাচাইকালে জাতীয় সার্ভারেও তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক দেখা যায়; কিন্তু তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা গেলে বিষয়টি মাগুরা জেলা নির্বাচন অফিসারকে জানিয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি নিজেকে রোহিঙ্গা হিসেবে পরিচয় দেন এবং ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই ব্যক্তি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস সংশ্লিষ্ট একটি চক্রকে দিয়ে নিজের নামে জাতীয় পরিচয়পত্রটি তৈরি করিয়েছেন বলে স্বীকার করেন।

    মাগুরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকার বলেন, তার কাগজপত্র সঠিক দেখা গেলেও কথাবার্তায় অসংলগ্নতার কারণে তাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। এই এলাকার একটি অসাধু চক্র এ কাজের সঙ্গে জড়িত বলে জানতে পেরেছি। অধিক তদন্ত করা গেলে এ বিষয়ে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    মাগুরা জেলা নির্বাচন অফিসার ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ বলেন, উপজেলা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমেই তার ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হয়েছে। এ দেশের নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও কোনো ডকুমেন্টের ভিত্তিতে কিভাবে তাকে ভোটার করা হয়েছে সেটি তদন্ত করতে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • গাজীপুরে আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর

    গাজীপুরে আগুনে পুড়ল শতাধিক ঘর

    গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি কলোনির শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকাল ৫টার দিকে জরুন এলাকার রুমেল পাঠানের টিনশেড কলোনির একটি রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশের রুমগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন কিন্তু আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আগুন নেভাতে ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে কোনাবাড়ী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে সারাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।

    বাড়ির মালিক রুমেল পাঠান বলেন, আমার টিনশেডের একটি কলোনির ১০০টি রুম। সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কোনো রুমের জিনিসপত্র বের করা সম্ভব হয়নি।

    শাহ আলম নামে এক পোশাক শ্রমিক বলেন, আমি অফিস থেকে জানতে পারি বাসায় আগুন লেগেছে। বাসায় আসতে আসতে দেখি সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই।

    রহিমা বেগম নামে এক ভাড়াটিয়া বলেন, কয়েক দিন আগে বেতন পাই। বেতনের সব টাকা রুমে ছিল। আমার সব শেষ হয়ে গেল। রাতে-দিনে ডিউটি করা টাকা মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ।

    কোনাবাড়ী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে প্রথমে কোনাবাড়ী মডার্ন সার্ভিসের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে সারাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসে আরও দুইটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে করে। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি।